‘ প্রতি আধ ঘণ্টায় দেশে একজন নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়’

19
scবাংলাদেশে প্রতি আধ ঘণ্টায় একজন কিশোরী কিংবা নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। শুনতে অবাক হলে মহিলা সমিতির কাউন্সিলিং সভায় এ তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত মহিলা সমিতির কাউন্সিলিং সভায় আয়োজন করে সংগঠনটি।

সভায় বিশ্লেষকরা বলেন,  স্তন ক্যান্সারের মতো সারভাইবাল ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে। সরল স্বাভাবিক জীবনযাপন, স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাস এবং সচেতনতা পারে স্তন ক্যান্সার মুক্ত দেশ গড়তে।

সমিতির সভাপতি সিতারা আহাসানউল্লাহর সভাপতিত্বে ‘ভয় নয় ক্যান্সার জয়’ শীর্ষক কাউন্সিলিং উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। বক্তব্য রাখেন- মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব প্রিয়া সর্বজয়া, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনকোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সারওয়ার আলম, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক শেখ গোলাম মোস্তফা প্রমূখ।

সেলিনা হোসেন বলেন, যাদের পরিবারের স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস আছে তারা ঝুঁকিতে আছে। সেই বিচারে আমিও ঝুঁকির মধ্যে। আমার নিজের বোন স্তন ক্যান্সারে মারা গেছেন। সে সময় তিনি সচেতন ছিলেন না। আমরা সচেতনতার মাধ্যমে নারীর স্বাস্থ্য রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করে বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার মুক্ত করব। এ ক্ষেত্রে তিনি সমাজের সচেতন ব্যক্তিবর্গ ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের যৌথ প্রচেষ্টার কথা বলেন।

সিতারা আহাসানউল্লাহ নিজের স্তন ক্যান্সারের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, মনের শক্তির কাছে স্তন ক্যান্সার পরাজিত হবে।

অধ্যাপক গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক জানান যে, সন্তানকে মা জন্ম দেন্ত বুকের দুধ খাওয়ান। সেই সন্তানই অ্যাডভান্স স্তরের রোগী হলে মায়ের কাছে যায় না। এমন অনেক উদাহরণ টেনে তিনি সবাইকে স্তন ক্যান্সার বিষয়ে সচেতন হতে বলেন।

তিনি জানান, বুকের সব চাকাই স্তন ক্যান্সার নয়। বুকে চাকার ১০ শতাংশ ক্যান্সার উল্লেখ করে তিনি জরুরি ভিত্তিতে চাকা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে পরামর্শ দেন। তিনি বারডেমসহ কিছু খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে অনকোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠার দাবি করেন।