সুনামগঞ্জে বিদ্যালয় কতৃপক্ষের গাফিলতি ৯শিক্ষার্থীর পিএসসি পরীক্ষা দেওয়া হল না

17

নিউজ ডেস্ক:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কতৃপক্ষের অবহেলার কারনে এবার অনুষ্টিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা পিএসসিতে অংশ নিতে পারে নি ৯শিক্ষার্থী। ফলে ঐ সব শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন এখন হুমকির মুখে পড়েছে। চরম ক্ষোব বিরাজ করছে অভিবাবকদের মাঝে।
জানাযায়,জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের বালিকান্দা গ্রামের মোকামপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মামুন রশীদ,ফাহিমা বেগম,লিজা বেগম,অঞ্জনা বেগম,মাহবুবুর রহমান,তামান্না বেগম,রুমি বেগম, সুমি বেগম ও আকলিমা বেগম অনুষ্ঠিত পিএসসি পরীক্ষা অংশ নিতে পারে নি। গত ২০১১সালে নেদারল্যান্ড সরকারের আর্থিক সহযোগীতায় এফআইভিডিবির পরিচালনায় ঐ বিদ্যালয় টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এফআইভিডিবির দায়িত্বে ছিল। এর পর প্রায় আট মাস এফআইভিডিবির তত্বাবধানে বিদ্যালয়ের পাঠদান চলছিল। এফআইভিডিবি চলে গেলে গ্রামবাসীর সহযোগীতায় ও প্রবাশীদের অর্থায়নে ৩বছর বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছিল। কিন্তু হঠ্যাৎ করেই প্রবাশীদের অর্থায়ন বন্ধ হলে কর্মরত শিক্ষকরা গত ৮মাস ধরে বেতন পাচ্ছে না। যার জন্য স্কুল টি বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া একাধিক কারনে ঐ বিদ্যালয়ের ৯শিক্ষার্থীর পিএসসি পরীক্ষা দিতে পারে নি।
শিক্ষার্থীরা বলেন,আমাদের স্কুলটি বন্ধ হওয়ায় অন্য স্কুলের বন্ধুরা পরীক্ষা দিচ্ছে। আর আমরা পরীক্ষা দিতে পারলাম না। খুব কষ্ট লাগছে এখন বন্ধুরা আমাদের আগে চলে গেল আর আমরা পিছিয়ে গেলাম। আমাদের জীবন থেকে একটি বছর চলে গেল। এর সমাধান কি হবে। অভিবাবকরা বলেন,স্কুল কতৃপক্ষকে বার বার যোগাযোগ করে বলার পরেও তারা কোন কথা শুনে নি। তারা তাদের কতা ভাবছে এখন আমাদের সন্তানরা যে পিএসসি পরীক্ষা দিতে পারলনা তার কি হবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন জানান,আমরা ৮মাস ধরে বেতন পাচ্ছি না। সমাপনী পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির সাথে কথা বলেছিলাম কিন্তু কোন সাড়া দেন নি তিনি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আমিনুল হক বলেন,আমার শারীরিক অসুস্থতার জন্য স্কুলের সাথে যোগাযোগ হয় নি। জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন বলেন,এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। এই বিষয়টি জানা থাকলে ৯শিক্ষার্থীর পিএসসি পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতাম।