ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জের সীমানা নির্ধারন জটিলতা নিরসনে আবেদন

18

ছাতক প্রতিনিধি::
ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতায় ভোগছেন দু’উপজেলার বাসিন্দারা। সরকারী ও আইনীর সুবিধা পেতে সীমানা নির্ধারনী নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে সীমান্তবর্তী দু’উপজেলার বাসিন্দাদের। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, দুর্ঘটনাজনিত ও সাংঘর্ষিক বিষয়। এমনকি পুলিশের প্রশাসনিক কাজেও বাধাগ্রস্থ হচ্ছে সীমানা নির্ধারনীর বিষয়টি। সম্প্রতি ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমানা নির্ধারনের বিষয়ে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে একটি লিখিত আবেদন দিয়েছেন ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বৈশাকান্দি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির। আবেদনে তিনি উলে-খ করেন, ছাতক উপজেলার রাজেন্দ্রপুর ও বাহাদুরপুর মৌজার বেশকিছু জমি, হাট-বাজার, খাল, টিলা, নদী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাজেন্দ্রপুর ও বাহাদুরপুর মৌজার যেসব অংশ ছাতক উপজেলার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে তৎস্থানে কোন সীমানা চিহ্নিত করা হয়নি। এতে ছাতক উপজেলার জনসাধারন নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ছাতক উপজেলার শারফিনবাজার ইজারা দিচ্ছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ। পরে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদিরের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ড. নাজমুনারা খানুম ১৫কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন প্রদানের জন্যে জেলা প্রশাসক সিলেট ও সুনামগঞ্জকে নির্দেশনা প্রদান করেন। কিন্তু এখনও মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনার কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। দুর্ঘটনায় কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হলে ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ না সুচক মন্তব্য করেন। এতে সাধারন মানুষ আরো ক্ষতিগ্রস্থ হন। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক সিলেট ও সুনামগঞ্জকে গত ৮.৭.১৭ইং তারিখ ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল লিখিতভাবে দাবী উত্থাপন করেন। ১৯.৪.১৭ইং তারিখ ছাতকের তৎকালীন সহকারী কমিশনার(ভুমি) সাবিনা ইয়াসমিন প্রতিবেদনসহ দ্রুত জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে নিয়োজিত সার্ভেয়ার দিয়ে আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারন করার সুপারিশ করেন। এদিকে সুনামগঞ্জের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর প্রসান্ত কুমার বিশ্বাস আন্তঃজেলা সীমানা নির্ধারনের দাবীতে দাখিলিয় আবেদনে বর্ণিত ছাতক উপজেলার রাজেন্দ্রপুর ও বাহাদুরপুর মৌজার সীমানা বিষয়ে তদন্তপুর্বক বিস্তারিত প্রতিবেদন ৭ কার্য দিবসের মধ্যে প্রেরনের কথা থাকলেও প্রতিবেদনটি না পাওয়ায় বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে দাখিল করা যাচ্ছেনা বলে তাগিদ প্রদান করে গত ২৪.১.১৭ইং তারিখে উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবরে এক পত্রে তিনি উলে¬খ করেন। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ১৫০৩(৫) স্মারকে অত্র বিষয়ে জেলা প্রশাসক সিলেট ও সুনামগঞ্জকে ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন প্রেরনের জন্যে সহকারী কমিশনার(রাজস্ব) আশেকুল হক ২২.১২.১৬ইং তারিখ লিখিত পত্র প্রেরন করেছেন। কিন্তু এ বিষয়ে কোন অগ্রগতি অধ্যাবদি পরিলক্ষিত হচ্ছেনা।