জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জসমূহ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

40

ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট এফেয়ার্স (আইডিয়া)’র উদ্যোগে এবং গণসাক্ষরতা অভিযান এর সহযোগিতায় ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জসমূহ বিষয়ক’ এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজেস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমরা এ পর্যন্ত মোট ৬টি শিক্ষা নীতি পেয়েছি এবং ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার মান উন্নয়নে আমাদের অগ্রগতি হচ্ছে। সর্বশেষ কবীর চৌধুরী শিক্ষানীতি খুবই যুগোপযোগী কিন্তু তারপরও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ করে গুণগত শিক্ষার মানোন্নয়নে আমাদের কাঙ্খিত সফলতা অর্জন করতে পারিনি। আমরা সকল পর্যায়ের অংশীজন মিলে কাজ করলে তা অর্জন সম্ভব হবে। তিনি গণসাক্ষরতা অভিযান কর্তৃক উপস্থাপিত চ্যালেঞ্জসমূহের প্রতি সহমত প্রকাশ করেন এবং তা উত্তরণের উপায় বের করার উপর জোর দেন।
আইডিয়ার নির্বাহী পরিচালক নজমুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট বিভাগের মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক মো: নিজাম উদ্দিন এবং সিলেট বিভাগ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম ভূইয়া।
মতবিনিময় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা গণসাক্ষরতা অভিযান কর্মসূচি ব্যবস্থাপক ড.মোস্তাফিজুর রহমান ।
উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, সরকারী সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, সরকারী কর্মকর্তা, শিক্ষক, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, নারী নেত্রী, এনজিও কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী উন্নয়ন কমী, আদিবাসী প্রতিনিধি, হাওর বিশেষজ্ঞগণ,ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ বক্তব্য রাখেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুসারে অনতিবিলম্বে গুণগত শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষকদের জন্য মান-সম্পন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ, যথাসম্ভব কোচিং বাণিজ্য এবং গাইডবই ব্যবহার ও বিক্রি বন্ধ, শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের ২০% বরাদ্ধ, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুসারে প্রাথমিক পর্যায়ে সমাপনী পরীক্ষা বন্ধ, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরীক শাস্তি প্রদান চর্চা বন্ধ, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুসারে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য কমন কারিকুলাম নিশ্চিত করা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়ন করার জোর দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি