নাসিরের ঘূর্ণি জাদু : চিটাগংকে ১০ উইকেটে হারাল সিলেট

13

স্পোর্টস ডেস্ক ::

নাসির হোসেনের ঘূর্ণি জাদুতে চিটাগং ভাইকিংসকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্স। আজ রোববার এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ৩৭তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল তলানিতে থাকা এই ২ দল। অবশ্য এই আসর থেকে বিদায় নিয়েছে চিটাগং ভাইকিংস। আর এই জয়ের ফলে নিজেদের প্লে-অফে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখলো সিলেট। এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিলেট অধিনায়ক নাসির। আজ মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি দুপুর একটায় শুরু হয়। ব্যাটিংয়ে নেমে নাসিরের ঘূর্ণি জাদুতে ১২ ওভারে ৬৭ রানেই অলআউট হয় চিটাগং। যা যৌথভাবে বিপিএলের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। এর আগে ২০১৩ সালে চিটাগংয়ের বিপক্ষে খুলনা ৬৭ রান করেছিল। জবাবে, ১১.১ ওভার ব্যাট করে সিলেট কোনো উইকেট না হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে।

দু’দলের আগের দেখায় চিটাগং জয় পেয়েছিল। এই আসরে এর আগে সর্বনিম্ন স্কোর ছিল রংপুর রাইডার্সের। কুমিল্লার বিপক্ষে ৯৭ রানে অলআউট হয়েছিল রংপুর। এবারের আসরে সাত দলের মধ্যে সিলেটের অবস্থান আপাতত পঞ্চম স্থানে, ১১ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৯ পয়েন্ট। এ ম্যাচটি ছিল তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা লিগের বাকি ম্যাচে জয় পেলে, পাশাপাশি রংপুর রাইডার্স যদি শেষ দুই ম্যাচে হেরে যায় তবে শেষ চার নিশ্চিত করে প্লে-অফ খেলতে পারবে সিলেট। ১১ ম্যাচ খেলে রাজশাহীর সংগ্রহ ৮ পয়েন্ট, আপাতত অবস্থান টেবিলের ছয়ে। অন্যদিকে চিটাগংয়ের এবারের মৌসুমে আর কোনো আশাই নেই। ১১ ম্যাচে মাত্র দুটিতে জয় পাওয়া দলটি সবার শেষে (৫ পয়েন্ট)। আগের দেখায় সিলেটের বিপক্ষে চলমান আসরের সর্বোচ্চ স্কোর (২১১) রেকর্ড গড়ে জিতেছিল দলটি।

ব্যাটিংয়ে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে চিটাগং। নাসির হোসেনের ঘূর্ণিতে সাজঘরে ফেরেন টপঅর্ডারের লুক রঞ্চি (৬), সৌম্য সরকার (০), লুইস রিসি (১২), স্টিয়ান ভ্যান জিল (১১) এবং তানভীর হায়দার (৫)। এছাড়া, সিকান্দার রাজা (১), ইরফান শুক্কুর (১৫), রায়াদ এমরিট (২), সানজামুল (৯), নাইম হাসান (৩) রান করেন।
সিলেট দলপতি নাসির ৪ ওভারে ৩১ রান খরচায় তুলে নেন ৫ উইকেট। শরিফুল্লাহ ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। সোহেল তানভীর কোনো উইকেট না পেলেও নাবিল সামাদ ৩ মাত্র ৭ রান দিয়ে তুলে নেন আরও তিনটি উইকেট। মাত্র ৬৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে সিলেটের ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার ৩৪ বলে ৪টি চার আর একটি ছক্কায় ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ৩৩ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।