বি. চৌধুরীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট গঠন

59

নিউজ ডেস্ক ::
বেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে চেয়ারম্যান করে চারটি ছোট রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে একটি রাজনৈতিক জোট। দলগুলো হলো—বিকল্প ধারা, জেএসডি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও নাগরিক ঐক্য।

নতুন জোট গঠন করতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি আ স ম রবের উত্তরার বাসায় বৈঠকে বসেন বাংলাদেশ বিকল্প ধারা প্রেসিডেন্ট ডা. বি চৌধুরী, মহাসচিব মেজর (অব.) মান্নান, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরাম নেতা সুব্রত চৌধুরী।

বৈঠকে এই জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ওই জোটে ড. কামাল হোসেন নেই।

জোট গঠনের লক্ষ্যে এ দলগুলোর মধ্যে বৈঠক নতুন নয়। এর আগেও উত্তরা, বারিধারায় এ ধরনের বৈঠক করেছেন নেতারা। তবে এবারের বৈঠকে নতুনত্ব সম্পর্কে নাগরিক ঐক্যের একজন নেতা জানান, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী এ জোটে থাকবেন কিনা সে বিষয়টি নিশ্চিত করতেই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। কাদের সিদ্দিকী সম্প্রতি আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জোটে তার থাকা নিয়ে জোটের মধ্যে এক ধরনের সন্দেহ তৈরি হয়।

বৈঠকে উপস্থিত আছেন বিকল্পধারার মহাসচিব আবদুল মান্নান, যুগ্ম মহাসচিব মাহি বি চৌধুরী, জেএসবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতনসহ দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতারা।

এর আগে গত জুলাই মাসে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের উত্তরার বাসায় রাজনৈতিক দলের নেতাদের অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় পুলিশে বাধা দেয়ার অভিযোগ ওঠে। ১৩ জুলাই সন্ধ্যা সাতটার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কয়েকজন নেতা আ স ম আবদুর রবের আমন্ত্রণে তার উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের বাসায় যান। এ সময় পুলিশের কয়েকজন সদস্য সেখানে গিয়ে জানান, অনুমতি ছাড়া সভা করা যাবে না। তখন আবদুর রব বলেন, এটা সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠান। একপর্যায়ে পুলিশ বের হয়ে বাসার বাইরে অবস্থান নেয়।

ওই দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও মাহি বি চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, গণফোরামের এস এম আকরাম ও সুব্রত চৌধুরী, বাসদের বজলুর রশীদ ফিরোজ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ও বহ্নিশিখা জামালী, জাসদ একাংশের আবদুল মালেক প্রমুখ। এ সময় সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারও ওই বাসায় গিয়েছিলেন।