সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে : হয়রানী চালিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবেনা

47

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেছেন- আওয়ামী বাকশালীদের অপশাসনে দেশের ধ্বংসপ্রায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার মহান দায়িত্ব নিয়েছেন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের প্রেরণা শক্তি দেশনায়ক তারেক রহমান। শহীদ জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসুরীদের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন জোরদার হচ্ছে দেখে বাকশালীদের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। তাই তারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, দেশনায়ক তারেক রহমান সহ দেশব্যাপী বিএনপি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী চালাচ্ছে। তাদের ষড়যন্ত্র নস্যাত করতে শহীদ জিয়ার সৈনিকরা সদা প্রস্তুত রয়েছে। শুধু তাই নয়, আদর্শিক মোকাবেলায় ব্যার্থ হয়ে অবৈধ সরকার সিলেটের কৃতি সন্তান বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা জননেতা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সহ বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ষড়যন্ত্রমুলক মামলা দায়ের করেছে। অবিলম্বে বিএনপি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ষড়যন্ত্রমুলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় সরকারকে চড়া মুল্য দিতে হবে।
তিনি সোমবার বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসুচীর অংশ হিসেবে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, দেশনায়ক তারেক রহমান সহ বিএনপি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মামলা দায়ের ও হয়রানীর প্রতিবাদে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। নগরীর ঐতিহাসিক রেজিষ্টারী মাঠে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সিলেট জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু’র যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জেলা বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল মালেক।
বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির শাহীন, জেলা সহ-সভাপতি একেএম তারেক কালাম, সহ-সভাপতি হাজী শাহাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন, জেলা উপদেষ্ঠা আহমেদুর রহমান চৌধুরী মিলু, মহানগর উপদেষ্ঠা সৈয়দ বাবুল, জেলা উপদেষ্ঠা মাজহারুল ইসলাম ডালিম ও ইলিয়াস আলী মেম্বার, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, সৈয়দ সাফেক মাহবুব, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন আহমদ মাসুক, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম, মহানগর দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, জেলা দফতর সম্পাদক এডভোকেট মো: ফখরুল হক, প্রকাশনা সম্পাদক এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, মহানগর প্রকাশনা সম্পাদক জাকির হোসেন মজুমদার, জেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা কাউন্সিলার সালেহা কবির শেপী, মহানগর যুব বিষয়ক সম্পাদক মির্জা বেলায়েত হোসেন লিটন, জেলা শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সুরমান আলী, মহানগর শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক এজাহারুল হক মন্টু, জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন সম্পাদক আব্দুস শাকুর, মহানগর সমবায় সম্পাদক মামুনুর রহমান মামুন, স্থানীয় সরকার সম্পাদক কামাল মিয়া, শিক্ষা সম্পাদক আব্দুল হাদী মাসুম, জেলা তাতী বিষয়ক সম্পাদক অহিদ আহমদ তালুকদার, মহানগর পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক আব্দুল জব্বার তুতু, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক হাবিব আহমদ চৌধুরী শিলু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক লায়েছ আহমদ, মহানগর স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা: আশরাফ আলী, জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক শফিকুর রহমান, মহানগর পরিবার কল্যান সম্পাদক লল্লিক আহমদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সুহাদ রব চৌধুরী, জেলা ধর্ম সম্পাদক আল মামুন খান, জেলা স্বাস্থ্য সম্পাদক আ ফ ম কামাল, মহানগর মানবাধিকার সম্পাদক মুফতী নেহাল উদ্দিন, কর্ম সংস্থান সম্পাদক নুরুল আলম, মহানগর উপ-কোষাধ্যক্ষ শেখ মো: ইলিয়াস মিয়া, জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রহমান ফয়েজ, হাবিবুর রহমান হাবিব, মহানগর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান খছরু, জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ হোসেন, জেলা সহ-দফতর সম্পাদক দিদার ইবনে তাহের লস্কর, সহ-প্রচার সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ছালিক আহমদ চৌধুরী, এডভোকেট ইসরাফিল আলী, হেলাল আহমদ, দিলোয়ার হোসেন জয়, আব্দুল লতিফ খান, আইয়ুব আলী সজীব, এনামুল হক মাক্কু, আলী হায়দার মজনু, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, নজির হোসেন, উজ্জল রঞ্জন চন্দ, কয়েস আহমদ সাগর, আমেনা বেগম রুমি, কুহিনুর ইয়াসমিন ঝর্না, ইসলাম উদ্দিন, সিরাজ খান শিহাব, এম. মখলিছ খান, সাব্বির আহমদ, শেখ কবির আহমদ, সিরাজ খান, কাজী নঈমুল ইসলাম, শফিক নুর, নুরুল ইসলাম লিমন, হাসান মঈনুদ্দিন সোহেল, আব্দুল মন্নান, আজির উদ্দিন আহমদ, শাহেদুল ইসলাম বাচ্চু, দিলোয়ার হোসেন রানা, রিয়াদুল হাসান রুহেল, শামীম আহমদ, মাহবুব আহমদ চৌধুরী, ফরিদ আহমদ, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, শামসুর রহমান শামীম, আশরাফ বাহার, শাহনাজ বেগম মুন্না, কামরুজ্জামান দীপু, রফিকুল ইসলাম, মাসুক মিয়া, ফখর মিয়া, আব্দুল্লাহ আল মামুন, জমির উদ্দিন, ফারহানা বখত রেহেনা, আলমগীর চৌধুরী শোয়েব, কাজী মেরাজ, দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকির, লিটন আহমদ, মির্জা স¤্রাট, ফখরুল ইসলাম রুমেল, রুহেল আহমদ কালাম, আশফাক সিদ্দীকি রাহাত, কল্লোলজ্যোতি বিশ্বাস জয়, মকসুদুল করিম নোহেল, বোরহান আহমদ রাহেল, আব্দুর রউফ, ওসমান গনি, খন্দকার ফয়েজ আহমদ, আলী আহমদ আলম, সালাউদ্দিন রিমন, রুনু আহমদ, মঈনুদ্দিন, সাঈদুুর রহমান সাইদুল, শিহাব খান, জাকির আহমদ, সোহেল ইবনে রাজা, আব্দুস সালাম টিপু, মাসুম পারভেজ, সোহেল রানা, আজাদ মিয়া, আব্দুল আহাদ, ওলীউর রহমান ওলী, মামুন আহমদ, আসাদ মিয়া রুকন, ইসলাম উদ্দিন, ফয়জুর রহমান বেলাল, এনামুল হক, মুহিম আহমদ, সজীব আহমদ, বদরুল আলম বদরুল, নজরুল ইসলাম, এনামুল হক মামুন, রাসেল আহমদ, জাকির হোসেন, আতাউর রহমান, সৈয়দ ফয়জুল ইসলাম শপু, কৃষ্ণ বোস, আকাব আহমদ পলাশ, সেলিম খান মাসুদ, এম.এ হান্নান, জহুরুল ইসলাম রাসেল ও ইলিয়াস আলী প্রমুখ।
মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন- অবৈধ আওয়ামী বাকশালী সরকার দেশব্যাপী বিএনপির জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, দেশনায়ক তারেক রহমান ও বিএনপির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। তারা জানেনা শহীদ আদর্শের সৈনিকেরা আওয়ামী বাকশালীদের হামলা-মামলাকে ভয় পায় না। অবৈধ সরকারের শত জুলুম নিপীড়ন সত্ত্বেও জিয়ার সৈনিকেরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে জীবন বাজী রেখে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে। সময় থাকতে সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় না হলে সরকারকে কঠোর মুল্য দিতে হবে।
মহানগর সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম বলেন- অবৈধ সরকার আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানকে মাইনাস করে প্রহসনের নির্বাচনের পায়তারা করছে। শুধু তাই নয়, মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার চলমান আন্দোলন দমাতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের উপর ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা দায়ের করছে। আবার কোন মামলায় গ্রফতারী পরোয়ানা জারিও করেছে। কিন্তু জানেনা জিয়ার সৈনিকেরা এসব হামলা-মামলা নির্যাতন সয়েই রাজপথে থাকে। অবিলম্বে বিএনপি নেতৃবৃন্দের উপর থেকে সকল ষড়যন্ত্রমুলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় ইতিহাসের লজ্জাজনক পরিণতির জন্য বাকশালীদের তৈরী থাকতে হবে।-বিজ্ঞপ্তি