জানুয়ারিতে বসছে পদ্মা সেতুর দ্বিতীয় স্প্যান

28

নিউজ ডেস্ক:: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে পদ্মা সেতুর দ্বিতীয় স্প্যান বসানো হতে পারে। এ পর্যন্ত পদ্মা সেতু নির্মাণে সামগ্রিক কাজের ৫০ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার মোস্তফাগঞ্জ এলাকায় সেতু উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সেতুমন্ত্রী শ্রীনগর উপজেলার ছনবাড়ী চৌরাস্তার ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ‘পরিদর্শন বাংলো’এর ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উন্মোচন করেন। এছাড়া তিনি শ্রীনগর উপজেলার সিংপাড়া সেতু, কোলাপাড়া সেতু এবং টঙ্গিবাড়ী উপজেলার রান্ধুনী বাড়ি সেতু উদ্বোধন করেন।
যথা সময়ে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের টার্গেট যথা সময়েই সেতুর কাজ শেষ করবো। একটি স্প্যান ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে। জানুয়ারির মাঝামাঝিতে দ্বিতীয় স্প্যান বসানো হলেই ৭ থেকে ৮ দিন পরপর যথাক্রমে আরও স্প্যান বসানো হবে। এভাবে সেতুটিতে ৩৯টি স্প্যান বসানো হবে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাজান নদীর মতো পদ্মা হচ্ছে একেবারে অনিশ্চিত নদী। পদ্মার নিচে এতো বেশি অনিশ্চিত পরিস্থিতি, যেখানে গভীরতা মিলিয়ে টেকনিক্যাল কিছু সমস্যা আছে। তাই নির্দিষ্ট সময় দিয়েও আমরা সেই নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারিনি।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. আবু ইউসুফ ফকির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাকসুদা লিমা, সিরাজদীখান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন, ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান পলাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের অধীনে নির্মিত প্রায় ৬ মাসে জেলার গুরুত্বপূর্ণ ৫টি সেতুর কাজ সম্পন্ন করা হয়। এর আগে এই ৫টি সেতুই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ। প্রত্যেকটি সেতু ১৮-২০ লম্বা ও সোয়া ১০ মিটার চওড়া আরসিসি (পিসি) সেতু। প্রত্যেকটি সেতুতে ব্যয় হচ্ছে ৫-৬ কোটি টাকা। চলতি বছরের ১৭ জুন সেতুমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জের ৩০টি সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের পর কাজ শুরু হয়। এর মধ্যে ৫টি সেতুর কাজ শেষ হয়েছে এবং বাকি ২৫টি সেতুর কাজ চলমান আছে। এছাড়া আরও ২০টি সেতুর অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে ও প্রক্রিয়া শেষ হলেই টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ শুরু হবে। ২০২০ সালের মধ্যে জেলার সকল ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ ভেঙে আরসিসি (পিসি) সেতু নির্মাণ করা হবে।