অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে করলেন জাপার মেয়র প্রার্থী

230

সবুজ সিলেট ডেস্ক
অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন জাতীয় পার্টির (জাপা) খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে পরিচিত এস এম মুশফিকুর রহমান (সজল)।

এ ঘটনায় মুশফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পলাতক মুশফিকুর রহমান খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানার আবাসিক এলাকার মৃত. আতিয়ার রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর গোলাম সরোয়ার বাপ্পী নামের একজন তার স্ত্রী হুমায়রা আহমেদ জিনিয়াকে ভাগিয়ে নেয়ার অভিযোগে মুশফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে বরিশালের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে তার পর থেকে মুশফিক আত্মগোপনে রয়েছেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামি মুশফিকুর রহমান বাদীর স্ত্রী জিনিয়ার পূর্বপরিচিত। এ জন্য মুশফিক প্রায় তাদের বাসায় যাতায়াত করতো। এ সুযোগে মুশফিকুর রহমান তার স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ আগস্ট বিকেল ৩টায় তার স্ত্রী শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা বলে মুশফিকের হাত ধরে চলে যায়।

এদিকে, পলাতক মুশফিক মামলার বাদী বাপ্পীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দিচ্ছেন বলেও জানা গেছে এবং গত ২৯ আগস্ট মুশফিক ও তার লোকজন বাপ্পীকে মারধর করে হত্যার চেষ্টা করেন বলে খুলনার পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেন বাপ্পী।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক জানান, মুশফিকুর রহমানের নামে তার থানায় বরিশাল আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার একটি কপি এসেছে। তাকে পুলিশ খুঁজছে। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুশফিক এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে স্বামী বাপ্পী জানান, মুশফিক এখন তাকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দিচ্ছে। এ জন্য তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

জানতে চাইলে এসএম মুশফিকুর রহমান বলেন, জিনিয়া এখন আমার স্ত্রী। তার সাবেক স্বামী মামলা করেছে কি না জানা নেই। তবে রাজনৈতিক ও ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকায় খুলনা আসতে পারি না। আগামী এক সপ্তাহ পর খুলনায় যাব।

তবে জিনিয়ার স্বামী গোলাম সরোয়ার বাপ্পীর মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে কিনা তাও তিনি জানেন না বলে জানান।

এ ব্যাপারে খুলনা মহানগর জাপার যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ খায়রুল ইসলাম বলেন, মুশফিকুর রহমান প্রায় ৪/৫ মাস খুলনায় অনুপস্থিত। তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। তবে মানুষের মুখে শুনেছি, মুশফিকের নামে মামলা রয়েছে। এ জন্য খুলনায় আসছেন না তিনি।