পাওনা টাকা না দেওয়ায় ৬ জাহাজ আটক

52

নিউজ ডেস্ক ::

রফতানি করা আলুর ঋণপত্রের টাকা না পেয়ে ব্যাংকের দায়ের করা মামলায় চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ১৪টি জাহাজ আটকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। হাইকোর্ট বিভাগের অ্যাডমিরালটি বেঞ্চে নির্দেশনা পেয়ে ইতোমধ্যে ৬টি পণ্যবাহী জাহাজকে বন্দরের বর্হিনোঙ্গরে নিরাপত্তা নজরদারীর মধ্যে রেখেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বাকি ৮টি জাহাজও আটকের প্রক্রিয়া চলছে। একসঙ্গে অনেকগুলো জাহাজ আটকা পড়ায় দেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

২০১৬ সালের মার্চ ও এপ্রিল মাসে মালয়েশিয়ায় তিন হাজার ১৪০ মেট্রিক টন আলু রফতানি করে বাংলাদেশী একটি প্রতিষ্ঠান। ১৪টি জাহাজে করে এই আলু রফতানি করা হলেও ঋণপত্রের টাকা আদায় করতে পারেনি বাংলাদেশের মিডল্যান্ড ব্যাংক। রফতানির পর এলসির টাকা নগদ করতে গিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দেখতে পায় বিল অব লেডিং জমা দিয়ে টাকা আগেই তুলে ফেলা হয়েছে।

টাকা ফেরত চেয়ে একাধিকার মিডল্যান্ড ব্যাংক মালয়েশিয়ায় কুয়েত ফাইন্যান্সকে চিঠি দেয়। শেষ পর্যন্ত টাকা না পেয়ে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১১ কোটি ২২ লাখ টাকা চেয়ে সংশ্লিষ্ট ৫৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। গত ১১ই জানুয়ারি হাইকোর্টের অ্যাডমিরালটি বেঞ্চে, ১৪টি বিদেশী জাহাজ আটকের নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশনা পেয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে কালামাতা ট্রেডার্স, ক্যাপ সাইরোস, ম্যাজেস্টিক, সি মাস্টার, টিজিনি এবং ও ইএল ক্যামিলা নামের ছয়টি জাহাজকে আটক করেছে। জাহাজগুলোর কয়েক দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কন্টেইনারবাহী এসব জাহাজ আটক হওয়ায় দেশের তৈরি পোশাক খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

আটক হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে তৈরি পোশাকের কাঁচামাল, টাওয়েল, পাটজাত পণ্যসহ অন্তত এক হাজার কোটি টাকার মালামাল রয়েছে।