নন-ক্যাডারে ১ম ও ২য় শ্রেণির পদ মাত্র ৭৮৭

47

নিউজ ডেস্ক::৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডার পদে আবেদনকারী প্রায় সব পরীক্ষার্থী এবার চাকরি পাচ্ছেন। নন-ক্যাডার পদে উত্তীর্ণ তিন হাজার ৩০৮ জনের মধ্যে ২৭শ’ পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এর বিপরীতে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদ পেয়েছে মাত্র ৭৮৭টি।

পিএসসি নন-ক্যাডারে নিয়োগ দিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছে শূন্য পদ চেয়ে চিঠি পাঠায়। এতে ভালো সাড়া পায় পিএসসি। প্রথম শ্রেণির পদে ৪২২টি এবং দ্বিতীয় শ্রেণির পদে ৩৬৫টিসহ মোট ৭৮৭টি শূন্য পদ পায় পিএসসি। আর প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে কয়েক হাজার।

এদিকে বিসিএসে উত্তীর্ণদের প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পেতে অনীহা আছে। কেননা, এই পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির বলা হলেও এখনো ১১ ও ১২তম গ্রেডে বেতন পান শিক্ষকেরা।

আবেদনকারী প্রার্থীরা বলছেন, প্রধান শিক্ষকের পদ এখনও ১২তম গ্রেড। পিএসসি নন-ক্যাডারে নবম ও দশম গ্রেড ছাড়া নন-গেজেটেড পদে নিয়োগ দিতে পারে না। একই বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও কাউকে নবম-দশম গ্রেড ও কাউকে ১২তম গ্রেড প্রদানকে বৈষম্য হিসেবে দেখছেন তারা।

পিএসসি সূত্র জানায়, ৩৬তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে ২৯২টি, কর ক্যাডারে ৪২টি, পররাষ্ট্র ২০, পুলিশ ক্যাডারে ১১৭টি, নিরীক্ষা ও হিসাব ১৫, কৃষি ৩২২, মৎস্য ৪৮, স্বাস্থ্য সহকারী সার্জন ১৮৭, পশুসম্পদ ৪৩-সহ ২ হাজার ৩২৩ জন প্রার্থীকে সুপারিশ করা হয়।

পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন,শূন্য পদের চাহিদা থাকা সাপেক্ষে পিএসসি বিভিন্ন পদে নিয়োগের সুপারিশ করে থাকে। এখানে পিএসসির কিছু করার নেই। তবে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদ কোন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত হবে,সেটা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেখবে। আমরা আশা করছি ৩৬তম বিসিএস থেকে এবার সর্বোচ্চ সংখ্যক নন-ক্যাডার প্রার্থী নিয়োগের জন্য সুপারিশের চেষ্টা করবো।