শ্রম আদালত হচ্ছে সিলেট ও রংপুরে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

18

নিউজ ডেস্ক:: শ্রমিকদের ন্যায় বিচারপ্রাপ্তি সহজ করতে সিলেট ও রংপুরে আরো দুটি শ্রম আদালত স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। বুধবার সচিবালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আরো দুটি লেবার কোর্ট (শ্রম আদালত) বাড়াচ্ছি, যাতে শ্রমিকরা বিচারের সুযোগ পায়। নতুন দুটি লেবার কোর্টের একটি হবে সিলেটে আরেকটি রংপুরে। বর্তমানে দেশে সাতটি শ্রম আদালত রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় একসঙ্গে তিনটি লেবার কোর্ট আছে। এগুলো নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের জন্য আলাদা আওতাভিত্তিক করার বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে।

ইইউয়ের প্রতিনিধি দল গার্মেন্টস কারাখানা পরিদর্শনের অবস্থা, শ্রম আইন সংশোধন, ইপিজেড শ্রম আইন প্রণয়ন ও নারীদের ক্ষমতায়নের বিষয়ে জানতে চেয়েছে বলে শ্রম প্রতিমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, তাদের আমরা বলেছি কারখানা পরিদর্শনের কাজ শেষ করেছি, অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স কাজ শেষ করেছে। এখন আমাদের নিজস্ব সংস্কার সেল আছে, মিটিং হবে তারপর আমরা কাজ করব।

চুন্নু বলেন, ইপিজেড চালুর সময় ট্রেড ইউনিয়ন চালু করা যাবে না বলে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেখানে ওয়ার্কার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন হয়েছে। এখন সর্বশেষ শ্রম আইনের আদলে একটা ইপিজেডের জন্য আলাদা একটা শ্রম আইন করা হচ্ছে, এটা আগে ছিল না, সেটা সংসদে গিয়েছে। সেটার উপর আইএলও কিছু অবজারভেশন দিয়েছে। বাংলদেশে নারীদের ক্ষমতায়ন কতদূর এগিয়েছে শ্রম সচিব সে বিষয়ে প্রতিনিধ দলকে বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন বলেও জানান শ্রম প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের শ্রম খাত নিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কাছে একটি ড্রাফট পাঠানো হয়েছিল। তারা সেটার উপর পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আগামী অধিবেশনে শ্রম আইনটি সংশোধন করতে পারব। বর্তমানে ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা ৭০০টিতে পৌঁছেছে, আরো কয়েকশ গঠনের প্রক্রিয়াধীন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আফরোজা খানসহ শ্রম মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।