চা শ্রমিকদের প্রতি আন্তরিক হতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

15

নিউজ ডেস্ক:: চা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণে নজর দিতে বাগান মালিকদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেছেন, চা শ্রমিকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পাতা তুলেন, বাগানের পরিচর্যা করেন। তাদের কল্যাণে বিশেষ করে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি আপনাদের নজর দিতে হবে। পাশাপাশি শ্রমিকরাও বেশ আন্তরিকতা দিতে তাদের কাজটুকু করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

রবিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ৩০০ ফুট সংলগ্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বাংলাদেশ চা প্রদর্শনী- ২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ’৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ টি বোর্ডের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। চায়ের গবেষণা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। রফতানি বেড়েছে এই অর্থকারী ফসলের।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে চা শিল্পকে উন্নত করার পদক্ষেপ জাতির পিতা নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় চা শ্রমিকদের ওপর অনেক অত্যাচার হয়েছিল। যুদ্ধের পর এখাত পুর্নগঠনেও তিনি ভূমিকা নিয়েছিলেন। ভুর্তুকি দিয়েছিলেন যাতে নতুন চা বাগান গড়ে উঠে। আমাদের জাতির পিতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা আশ্রয়ণ প্রকল্প করেছি। কেউ কুঁড়েঘরে থাকবে না। চা শ্রমিকরাও যাতে ঘরবাড়ি পায় সে জন্য গৃহায়ণ তহবিল থেকে ২ শতাংশ সার্ভিস চার্জের মাধ্যমে চা বাগানের মালিকদের ঋণ দেয়া হবে। এই ঋণ ৫ শতাংশের ওপর আদায় করা যাবে না। আর গৃহায়ণ তহবিলের শর্ত অনুসারে, প্রতিটি বাড়িতে বিনা খরচে একটি করে স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার নির্মাণ করে দিতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে চা উৎপাদনেও আমরা যথেষ্ট উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। চা মালিকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষেতে জেনারেটরের ওপর থেকে ট্যাক্স তুলে নেই। চা শ্রমিক ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য, শিক্ষা , গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করি।