বলেই তো দিয়েছি কোটা বাতিল, তবুও আন্দোলন কেন: প্রধানমন্ত্রী

40

নিউজ ডেস্ক::
সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার চেয়ে যারা আন্দোলন করছেন তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোটা নিয়ে আমি তো আগেই সিদ্ধান্ত দিয়ে দিয়েছি। তবুও আন্দোলন কেন। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপনের দাবিতে আবারও আন্দোলন শুরু হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তো বলেছি কোটা থাকবে না। এরপরও আল্টিমেটাম, আন্দোলনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এটার তো কোনো যুক্তি নেই। আমরা এটা করবো। কিন্তু এখনই এটা করতে হবে? এ জন্য তো সময় লাগবে। কোটার বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে সময় লাগবে।

বৈঠকের একটি সূত্র জানায়, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, কোনো কোনো মহল কোটার বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এটা দ্রুত করা যায় কি-না সে বিষয়ে একটু ভাবেন। কারণ, এর সমাধানের বিষয়টি তো আপনিই দিয়েছেন।

আলোচনায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীসহ সিনিয়র কয়েকজন মন্ত্রী অংশ নেন। বৈঠকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের বিষয়টি উঠে আসে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমালোচনা করছে করুক। যৌক্তিক কোনো সমালোচনা থাকলে করতে পারে। কিন্তু বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে কেন? এ স্যাটালাইটের মালিকানা সরকার ছাড়া অন্য কারও হওয়ার সুযোগ নেই।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সম্প্রচারের জন্য বাইরে টাকা দিতে হতো। এতে প্রচুর পয়সা ব্যয় হতো। এখন সে টাকা আমাদের সাশ্রয় হবে। বিএনপি নেতারা টেকনিক্যাল বিষয়গুলো না বুঝে আন্দাজে কথা বলছে।