ব্রাজিল শিবিরে স্বস্তি

20

স্পোর্টস ডেস্ক ::
‘হেক্সা’ মিশনের উদ্দেশ্য নিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপে এসেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে কেবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নয়, লড়তে হচ্ছে চোট নিয়েও। সেলেওকাওদের এখন সবচেয়ে বড় দুঃশ্চিন্তার নাম চোট। প্রতি ম্যাচের পর কোচ টিটের কপালের ভাঁজটাও বাড়ছে ক্রমাগত। নকআউট পর্বে চোটের কারণে মাঠে নামতে পারেনি দলের অন্যতম তারকা লেফট ব্যাক মার্সেলো। তার জায়গায় টিটে খেলিয়েছেন ফিলিপ্পে লুইসকে।

তাছাড়া মধ্যমাঠের তারকা ডগলাস কস্তাকেও চোটের কারণে বসে থাকতে হয়েছে সাইডবেঞ্চে। গত ৪ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি ম্যাচেই মাঠে নামতে পেরেছেন এই জুভেন্টাস মিডফিল্ডার। কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচটিতেই কেবল দলে ছিলেন তিনি। জুভেন্টাসে থাকাকালীনই তিনি ইনজুরিতে পড়েন। এরপর চোট নিয়েই তিনি স্কোয়াডের সঙ্গে রাশিয়া আসেন। উরুতে চোট পাওয়ায় সার্বিয়া ও মেক্সিকোর বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেননি তিনি।

তবে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সুখবর পাচ্ছেন টিটে। চোট কাটিয়ে দলের সঙ্গে অনুশীলনে ফিরেছেন এই দুই নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়। ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন টুইটার বার্তায় জানিয়েছে , কস্টাকে অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার সে দলের সঙ্গে স্বাভাবিক অনুশীলন করেছে। মার্সেলেও অনুশীলনে ফিরেছে। দুইজন এখন কঠোর পরিশ্রম করছে।

প্রথম দুই ম্যাচে দুর্দান্ত খেলতে থাকা মার্সেলো ইনজুরিতে পড়েন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে। সার্বিয়ার বিপক্ষে মাত্র ১০ মিনিট মাঠে ছিলেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। এরপর পিঠে ব্যথা পাওয়ায় মাঠ ছাড়েন তিনি। একই কারণে নকআউট পর্বে মেক্সিকোর বিপক্ষেও খেলেননি তিনি।

বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে কাজানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়ার আগে ব্রাজিল শেষ অনুশীলন করেছে সোচিতে। মার্সেলো ও কস্তা ফিরলেও টিটে কোয়ার্টার ফাইনালে পাচ্ছেন না দলের নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে। পরপর দুটি হলুদ কার্ড দেখায় দলের বাইরে থাকবেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। তবে তার পরিবর্তে মাঠে নামার সম্ভবনা রয়েছে ফার্নান্দিনহোর।

ব্রাজিলকে এবার প্রথম থেকেই ভোগাচ্ছে চোট। চোটের কারণে বিশ্বকাপটা মিস করতে যাচ্ছিলেন দলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার। তবে সমর্থকদের হতাশ হতে হয়নি। তিন মাসের নির্বাসন শেষে দ্রুতই মাঠে ফিরেছেন তিনি। বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচও খেলেছেন এই পিএসজি ফরওয়ার্ড। দলের এই প্রধান অস্ত্র ইতোমধ্যে দুই গোল করে ‘হেক্সা’ জয়ের মিশনেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে টিটের জন্য আশার কথা হচ্ছে, ব্রাজিলের ছন্দ ফিরে পাওয়া।