রাহুল জনপ্রিয়তায় মোদিকে পেছনে ফেলেছেন

29

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::
মোদি টুইট যাত্রা শুরু করেছেন প্রায় এক দশক আগে। সে তুলনায় রাহুলের টুইটারের বয়স মাত্র তিন বছর। টুইটে ফলোয়ারের বিবেচনায় মোদির ধারেকাছে নেই রাহুল। প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় দেশ-বিদেশ মিলিয়ে মোদির টুইটারে ফলোয়ারের সংখ্যা ৪ কোটিরও বেশি। সেখানে রাহুল পেরিয়েছেন মাত্র ৭০ লাখের অঙ্ক। কিন্তু রাহুল ইদানীং যা টুইট করছেন, তাতে মোদির থেকে অনেক বেশি সাড়া মিলছে।

১১ জুলাইয়ের হিসেবে টুইটারের নতুন পরিসংখ্যানই বলছে, গত এক মাসে রাহুল গান্ধী টুইট করেছেন ৩৬টি। আর মোদি করেছেন ২৬৪টি। কিন্তু গড়পরতায় মোদির টুইটে ‘লাইক’ এসেছে ১১ হাজারের মতো, আর রাহুলের প্রায় ১৯ হাজার। মোদির টুইট গড়ে ‘রি-টুইট’ হয়েছে আড়াই হাজারের মতো, আর রাহুলের সাড়ে ৬ হাজার। অর্থাৎ, রাহুলের থেকে মোদি অনেক বেশি টুইট করলেও সোশ্যাল দুনিয়ায় প্রভাব এখন বেশি কংগ্রেস সভাপতিরই।

ভারতের বিগত লোকসভা ভোটের আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াকেও ব্যাপকভাবে কাজে লাগিয়েছিলেন মোদি। কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রধান দিব্যা স্পন্দনা প্রকাশ্যেই স্বীকার করেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজ করা কংগ্রেস যখন শুরু করেছে, তখন বিজেপি অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে।’ কিন্তু এখন ইঙ্গিত, সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধে ক্রমশই এগোচ্ছে কংগ্রেস। তা বুঝেই অমিত শাহ এখন বিভিন্ন রাজ্যে দলের সোশ্যাল মিডিয়ার ভিতকে শক্ত করতে চাইছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত কংগ্রেসের এক সদস্য বলছেন, মোদির জনপ্রিয়তা এখন সব ক্ষেত্রেই কমছে। তাছাড়া সম্প্রতি টুইটার ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করছে।

এতদিন এই ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমেই ‘লাইক’, ‘রি-টুইট’ করে মোদির জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে দেখানো হতো বলে মনে করে ভারতীয় বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা। আর এখন টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা শুরু করতেই মোদির ‘নকল’ জনপ্রিয়তাতেও ভাটা পড়ছে বলে দাবি ভারতীয় বাংলা দৈনিকটির।

বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া টিমের এক সদস্যের পাল্টা দাবি, টুইটারের হিসেবেই দেখা যাচ্ছে, নরেন্দ্র মোদির ‘ফলোয়ার’দের মধ্যে ভুয়া মাত্র ২৩ শতাংশ। আর রাহুলের ক্ষেত্রে তা ৩৬ শতাংশ।