সিলেট পাসপোর্ট অফিসে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা

30

স্টাফ রিপোর্টার
দালালদের দৌরাত্মের পর এবার ‘বিদ্যুত বিভ্রাটের’ ভোগান্তিতে পড়েছেন সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের গ্রাহকরা। ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন সেবাগ্রহীতারা। এদিকে প্রতিদিন বিদ্যুত বিভ্রাটের কারণ দেখিয়ে আবেদন ফরম গ্রহণ ও প্রস্তুতকৃত মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রদান করতে বিলম্ব করছে কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রচন্ড রোদে মধ্যে দীর্ঘ লাইনে থেকে অবস্থান করতে হয় গ্রাহকদের। এতে চরম বিড়ম্বনার শিকার হন তারা। তথ্য প্রযুক্তির যুগে পাসপোর্ট অফিসের এমন সেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন গ্রাহকরা।
গতকাল মঙ্গলবার প্রচন্ড রোদের মধ্যে সেবাগ্রহীতারা দীর্ঘ লাইনে অবস্থান করতে দেখা যায়। মাথার উপর তপ্ত রোদ। তারপরও দীর্ঘ সারি থেকে সরতে নেই। এর একটাই কারণ লাইনচ্যুত না হওয়া। সেবাগ্রহীতাদের কেউ একবার লাইন থেকে বেরিয়ে গেলে দ্বিতীয়বার লাইনের পেছনে গিয়ে দাঁড়াতে হয়। এমন অবস্থায় রোদে পুড়েও ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বলে জানালেন কয়েকজন সেবা গ্রহীতা। তাদের দাবি এই ভোগান্তি নতুন নয়। প্রায় প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিড়ম্বনায় পড়তে হয় তাদের।
পাসপোর্ট আবেদন জমা দিতে আসা আতিকুর রশিদ, রিমন মিয়া, শিব্বির আহমদ বলেন, সকাল ১০টা থেকে বিদ্যুতহীন। দুপুর সাড়ে ১২টায় বিদ্যুৎ এলেও এই সময়ের মধ্যে শত শত লোকজন লাইনে দাঁড়িয়ে যান। একেতো রোদ, তারপর কে কার আগে যাবেন এ নিয়ে চলছে বাগড়া।
পাসপোর্ট নিতে আসা লিমা বেগম, নাজনীন সুলতানা, সহির উদ্দিন, নাবীল আহমদ ও আলিম আল রাফি চৌধুরীসহ অনেকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, পাসপোর্ট অফিসের এখন নতুন ভোগান্তি বিদ্যুৎ বিভ্রাট। দিনে অন্তত কয়েকবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটে কর্তৃপক্ষের কোনো কিছু যায় আসে না। এজন্য ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। তাদের মতে, এরকম জনগুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের ‘ডাবল’ লাইন থাকা প্রয়োজন ছিল।
সিলেট পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মাজহারুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রাহকদের একটু ভিড় লেগে যায়। তারপরও শৃঙ্খলার মধ্যে সবার পাসপোর্ট দেওয়া ও আবেদন ফরম নেওয়া হচ্ছে। তবে এ ধরনের জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।