রাজু হত্যার ঘটনায় তিন ছাত্রদল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ

126

স্টাফ রিপোর্টার
ছাত্রদল নেতা ফয়জুল হক রাজু হত্যার ঘটনায় তিন ছাত্রদল নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। রোববার বিকেলে তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। কতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি লিটন আহমদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছুর রহমান মুন্না ও জেলা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদত্যাগকারী) আনোয়ার হোসেন রাজুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তবে কাউকেই এখনো আটক দেখানো হয়নি। এঘটনায় রোববার রাত পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলেও জানান ওসি।

জানা যায়, রোববার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে রাজুর মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ। তার মরদেহ গোসল করাতে নিয়ে যাওয়া হয় মানিকপীর কবরস্থান এলাকায়। সেখানে উপস্থিত থাকা জেলা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদত্যাগকারী) আনোয়ার হোসেন রাজুকে আটক করেন সোবহানীঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামাল আহমদ। রাজুকে ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতা লিটন আহমদ ও এখলাছুর রহমান মুন্না ছুটে যান সোবহানীঘাট ফাঁড়িতে। পুলিশ আনোয়ার হোসেন রাজু, লিটন ও মুন্নাকে কোতোয়ালী থানায় নিয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে নগরীর কুমারপাড়ায় নবনির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বাসার সামনে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হামলার খুন হন সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক ফয়জুল হক রাজু।। আহত হন আরও দুই ছাত্রদল নেতা। জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ফয়জুল হক রাজু কমিটির বিপক্ষে ছিলেন। কমিটির পক্ষের নেতাকর্মীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে।

বিকেল ৩ টায় উপশহরে প্রথম জানাজা ও রোববার সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার শাহপুর নিজ গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাজুর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।