দিরাইয়ে প্রবাসীর স্ত্রী’কে অপহরণ : আদালতে মামলা

30

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের সাদিরপুর গ্রামে স্বামী বাড়ীতে না থাকার সুবাদে স্ত্রীকে অপহরণ স্বর্ন ও নগদ অর্থসহ প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা মালামাল লুঠপাঠের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা সুত্রে জানাযায়, করিমপুর ইউনিয়নের সাদিরপুর গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে মারুফা বেগমের স্বামী প্রবাসী মিষ্টার সালেহ বাদি হয়ে গত ৮ আগষ্ট বাদি হয়ে সুনামগঞ্জে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিরাই জোনে আলাদাভাবে দুটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় কুষ্টিয়া জেলার সতকী দীঘিরপাড়, সতকী মোহাম্মদপুর ৭৭,কুমারখালী থানার বাসীন্দা বারেক শেখ এর ছেলে মো: রনজু(৪৫), আশরাফ আলী শেখ এর ছেলে মো: আলম শেখ(৫১), আহমদ মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া(১৯), জাবিদ আলীর ফকির এর ছেলে ইউনুস আলী(৩৫) ও আহমদ আলীর স্ত্রী অজ্ঞাত নামা(রিপনের মা) এই ৫ জন সহ আরো কয়েকজন অঞ্জাতনামা ব্যক্তিকে আসামী করা হয়। যার মামলা নং(৮৮/৮/৮/২০১৮ইং)এবং(১০২/৮/৮/২০১৮ইং) ।

মামলার বিবরনে আরও জানাযায়, আসামীরা কয়েক মাস পুর্বে সালেহ মিয়ার দিরাই উপজেলায় বাদীর বাসার সংলগ্ন বাসা ভাড়া নিয়ে প্লাষ্ঠিক জাতীয় পন্যের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তারই সুবাদে সালেহ মিয়া ও তার স্ত্রী মারুফা বেগমের সাথে বাদীর বাসায় বিভিন্ন সময়ে আসা যাওয়া করত। ঘটনার দিন মামলার বাদি সালেহ মিয়া অন্যত্র থাকার সুযোগে আসামী গংরা রাতের আধাঁরে তার স্ত্রী মারুফা বেগম (৪০)কে ফুসলিয়ে গত ২৭ই জুলাই রাত ১২টায় অপহরণ করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নগদ ৬ লাখ টাকা ২০ ভরি স্বর্নলঙ্কার সহ মোট ১৭ লাখ টাকার মালামাল লুঠপাঠ করে কুষ্টিয়া নিয়ে যায়।

পরে অপহরণ কারীরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মারুফা বেগমের স্বামী সালেহ মিয়ার কাছে মোবাইল ফোনে ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করেন। অন্যতায় তার ন্ত্রী মারুফা বেগমকে ফেরৎ না দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য হুমকি প্রদান করেন।
এ বিষয়ে বিজ্ঞ আদালত দিরাই থানা ওসিকে ৭ দিনের মধ্যে ভিকটিম মারুফা বেগমের অবস্থান জেনে প্রতিবেদন প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন। এদিকে সাত মাসের অন্তসত্তা ন্ত্রী মারুফা বেগমকে উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এ ব্যাপারে দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান মোস্তফা কামাল জানান, আদালত থেকে কোন নিদের্শ এখনো আসেনি। তবে আসলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।