ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাই হবে প্রশাসনের মূল লক্ষ্য : ড. মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার

20

পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্স

সিলেটের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ড. মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদার বলেছেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাই হবে প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। বিচার প্রার্থীদের ন্যায় বিচার পেতে যাতে কোন দীর্ঘসূত্রিতার সৃষ্টি না হয় সে দিকে নজর রাখতে হবে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় বিশেষ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনের সুষ্ঠু নজরদারী ও তদন্ত নিরপেক্ষ হতে হবে। যাতে কারো মৌলিক অধিকার হরণ না হয়, সেদিকে মনযোগ দিতে হবে।

তিনি গতকাল শনিবার দুপুরে সিলেটের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর সম্মেলন কক্ষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এর ব্যবস্থপনায় আয়োজিত পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সিলেটের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমেদ এর সভাপতিত্বে ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম লায়লা মেহের বানু’র সঞ্চালনায় কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের পক্ষে ডা. মো. আফছার উদ্দিন, অধ্যক্ষের পক্ষে ডা. সৈয়দ আনোয়ারুল হক, ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের পক্ষে ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল-হেলাল, সিভিল সার্জনের পক্ষে ডা. আবুল কালাম আজাদ, পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবা ওবাইদা, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ২য় আদালতের মো. আতিকুল হায়দার, ৩য় আদালতের কাকন দে, জকিগঞ্জ চৌকি আদালতের মোহাম্মদ খাইরুল আমীন, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতের মো. মাহবুবুর রহমান ভুঞাঁ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিদ্যুৎ আদালতের সুবর্ণা সিনহা, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের শারমীন খানম নীলা, ৩য় আদালতের সুলেখা দে, ৪র্থ আদালতের লায়লা মেহের বানু, ৫ম আদালতের ফারজানা শাকিলা সুমু চৌধুরী, পিবিআই সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার জাহান, সিনিয়র জেল সুপারের পক্ষে হাবিবুর রহমান, সিআইডি’র বিশেষ সুপার মো. শামিমউর রশীদ, বিভাগীয় বন কর্মকর্তার পক্ষে জি.এস আবু বকর সিদ্দিক, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (র‌্যাব-৯) মাঈন উদ্দিন চৌধুরী, দুদক সিলেটের পক্ষে মো. ইসমাইল হোসেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর সিলেটের প্রবেশন অফিসার তমির হোসেন চৌধুরী, কোর্ট পুলিশ পরিদর্শন নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন, বিশ^নাথ থানার ওসি মো. সামসুদ্দোহা, বিয়ানীবাজার থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি, বালাগঞ্জ থানার ওসি এস.এম জালাল উদ্দিন, ওসমানী নগর থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ, জকিগঞ্জ থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান হাওলাদার, গোয়াইনঘাট থানার ওসি আব্দুল জলিল, কানাইঘাট থানার ওসি মো. আব্দুল আহাদ, ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি নাজমুল হক, বিশ^নাথ থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ দুলাল আকন্দ, জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি তদন্ত মো. আনোয়ার জাহিদ, কানাইঘাট থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ নুনু মিয়া, জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন, নাজির ও ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন, জুডিসিয়াল পেশকার লেনিন পোদ্দার, স্টেনো টাইপিস্ট বেগম মৌসুমী আক্তার প্রমূখ।

উল্লেখ, আলোচনায় পরোয়ানা তামিল, তদন্দ প্রতিবেদন বিলম্বের কারণ, পুলিশ কর্তৃক মামলায় সাক্ষী উপস্থিতকরণ, বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেটগণের নিরাপত্তা সহ আদালত চত্বরে নিরাপত্তা বিধান, তদন্ত ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ ও সময়মু ময়না তদন্তের প্রতিবেদন প্রেরণ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন বাস্তবায়ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।-বিজ্ঞপ্তি