জগন্নাথপুরে পোল্ট্রি ফার্ম করে সুজা মিয়ার ভাগ্য পরিবর্তন

50

মো. আব্দুল হাই, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের গন্ধর্Ÿ্যপুর গ্রামের মরহুম সিরাজ মিয়া তালুকদারের ছোট ছেলে আবু খায়ের উরফে সুজা মিয়া তালুকদার পোল্ট্রি ফার্ম স্থাপন করে ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের সুজা মিয়া তালুকদার রানীগঞ্জ বাজারে ছোট খাটো ব্যবসা করতেন। লোকসানের কবলে পড়ে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। অবশেষে পরিকল্পনা করেন নিজের সামান্য ভুমিতে পোল্ট্রি ফার্ম করার। এক সময় তা বাস্তবায়ন করে এখন তিনি তার ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন।

সুজা মিয়া তালুকদার প্রথমে ৬লক্ষ টাকা পুঁজি খাটিয়ে ফার্মের কার্যক্রম শুরু করেন। মুরগীর ফার্ম শুরু করার পর প্রাথমিক ভাবে তেমন একটা লাভ হয়নি। ওই সময় প্রতিটি মুরগীর বাচ্চার দাম ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। ধৈর্য না হারিয়ে লেগে থাকেন পোল্ট্রি ফার্মের কাজে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সুজা মিয়া তালুকদার লাভের মুখ দেখতে পান। প্রথমে কিছুটা সমস্যা দেখা দিলেও পর্যায়ক্রমে সে পোল্ট্রি ফার্মের বিষয়ে বাচ্চার খাবার পরিবেশনসহ বাচ্চা বড় করার প্রয়োজনীয় পদ্ধতিসমুহ সবকিছু শিখে নেন সুজা মিয়া তালুকদার। এর পর হতে সুজা মিয়া তালুকদারের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। পোল্ট্রি ফার্ম করে তার ভাগ্য বদলে যায়। মুরগী পালন এবং বিক্রি করে তিনি আজ সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সমাজে রয়েছে ব্যাপক পরিচিতি। সুজা মিয়া তালুকদারকে পোল্ট্রি ফার্মের কাজে সবচেয়ে বেশি সাহায্যে করতেন তার মা। মুরগী বিক্রি করার পর সব খরচ বাদ দিয়ে তার প্রতি মাসে ৪০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ করে থাকেন। এভাবে প্রতি মাসে বৃদ্ধি পেতে থাকে তার উপার্জন।

সুজা মিয়া তালুকদার প্রতিবেদককে জানান, পোল্ট্রি ফার্ম তৈরী করার পর এখন আর পরিবাওে অভাব অনটন নেই। সুখ সাচ্ছন্দে দিনাতিপাত করছি।