জগন্নাথপুরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ২০

18

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে ঈদের পরের দিন গরু চুরির ঘটনার জের ধরে সংঘর্ষে নারী সহ উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে এস আই লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল মখলিছের ছেলে সোনা মিয়া ও মৃত রইছ উল্লাহর ছেলে আব্দুল হান্নানের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষে আহতরা হলেন তোতা মিয়া(৪০) আংগুর মিয়া(৪৫) মোমরাজ মিয়া(৩৫) আব্দুস শহীদ (৪৫) ইজাজ মিয়া(৪০) গোলাম রব্বানী (৪৫) রোকসানা বেগম(৫৬) জাকির হোসেন(২৭) তখলিছ মিয়া(৪২) আবুল মিয়া(৩৫) হায়দার আলী(৪৯) বদরুল ইসলাম(২৫) আপ্তাব উদ্দিন(৪৭) আমির হোসেন(২৬) আক্কাস মিয়া (৪৬)। স্থানীয় সূত্রে জানাযায় নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আলতা মিয়ার ছেলে আপ্তাব উদ্দিনের একটি কোরবানির গরু ঈদের ৬দিন পূর্বে গভীর রাতে চোরেরা গোয়াল ঘরের দরজা খুলে নিয়ে যাওয়ার সময় টের পেয়ে গরুর মালিক আপ্তাব উদ্দিন ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এ সময় গরু সহ ১ চোরকে এলাকাবাসী আটক করেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে গরু চুরির সাথে নোয়াগাঁও গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে জাকির মিয়া সহ অন্যান্য সহযোগিদের নাম প্রকাশ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ঈদের ১দিন পর শুক্রবার জুমার নামাজের পর গরু চুরির ঘটনায় শালিস বৈঠকের স্বীদ্ধান্ত নেয়া হয়। চুরির ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং সালিশ বৈঠক যাতে না বসে এ কারনে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় রানীগঞ্জ ফেরি ঘাটের একটি মার্কেটে বিবদমান দু গ্রুপের আব্দুল হান্নানের ভাতিজা ছায়াদ মিয়া ও সোনা মিয়ার শ্যালক শাজাহান মিয়ার মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ওই দিন সন্ধ্যায় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীও অস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে । প্রায় ৩ ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় সংঘর্ষে নারী সহ উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হন।