অফিস সহকারীকে কৌশলে শিক্ষক বানালেন প্রধান শিক্ষক!

42

দিরাই প্রতিনিধি
দিরাই উপজেলার একমাত্র মডেল উচচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সব্যসাচী দাসের বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীকে নিজ ফায়দা হাসিল করতে কৌশলে সহকারী শিক্ষক বানিয়ে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য করেছেন এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।
শিক্ষা অফিস সুত্রে জানাযায়, প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিতে উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে সদস্য করার সরকারী বিধি থাকলেও দিরাই পৌরশহরের পুর্ব চন্ডিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য করতে দিরাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সব্যচাসী দাস চয়ন ৩ জন শিক্ষকের বদলে দুইজন শিক্ষকও অফিস সহকারী সামসুল আলমকে শিক্ষক বানিয়ে তালিকা পাঠান। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অফিস সহকারী সামসুল আলমকে সদস্য করার এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
পুর্বচন্ডিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াকিফুর রহমান বলেন দিরাই উচচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সব্যসাচী দাস সামসুল আলম সহ তিন জন শিক্ষকের নাম পাঠিয়েছিলেন, আমরা সামসুুল আলম কে সদস্য করেছি, এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সামসুল আলম অফিস সহকারী না শিক্ষক সেটা প্রধান শিক্ষক ভালো জানেন।
দিরাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সব্যসাচী দাস বলেন, সামসুল আলম আমার বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী । দুইজন শিক্ষকের সাথে অফিসসহকারী কে কিভাবে শিক্ষক বানিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিত্ব করার জন্য পাঠালেন প্রশ্ন করলে প্রধান শিক্ষক কোনো উত্তর দিতে পারেননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, সরকারি বিধি অনুযায়ী তিন জন শিক্ষকের নাম পাঠাতে হয় অফিস সহকারীর নাম কিভাবে প্রধান শিক্ষক পাঠালেন সেটা তিনিই ভালো বলতে পারবেন।