দক্ষিণ সুরমায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণ

135

সবুজ সিলেট ডেস্ক
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ডের কদমতলী গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে মৃত আব্দুল মালিক মকু মিয়ার মেয়ে শামীমা বেগম শাম্মী দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। ডায়েরী নং- ১৩৯৭, তাং- ৩০.০৯.১৮ ইং।

সাধারণ ডায়েরীতে শামীমা বেগম শাম্মী উল্লেখ করে বলেন, দক্ষিণ সুরমা থানাধীন মোমিনখলা মৌজার ১০৪৬, ১০৮৭, ১০৮৮ ও ১০৮৯ নং দাগগুলো সহ অপরাপর মৌজা ও বিভিন্ন দাগের ভূমি নিয়ে বাটোয়ারা স্বত্ব মামলা বিচারাধীন। বাটোয়ারা স্বত্ব নিয়ে ২০১৪ সালে যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে ৩০১ নং মামলা দায়ের করা হয়। আদালত ২০১৬ সালে ২৭শে জুলাই উভয় পক্ষকে স্থিতি অবস্থায় থাকার নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু মৃত আব্দুল হামিদ মিয়ার পুত্র আব্দুল মন্নান ও আব্দুল হান্নান গং আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভবন নির্মান কাজ করছেন। নির্মান কাজে বাঁধা দিলে তারা আমাদের উপর চড়াও হয় এবং আমাদের হত্যার হুমকী দেয়। কোন উপায় না পেয়ে আমরা থানার সরণাপন্ন হই এবং অভিযোগ দায়ের করি।

শামীমা বেগম শাম্মী জানান, মৃত আব্দুল হামিদ মিয়ার পুত্র আব্দুল মন্নান ও আব্দুল হান্নান দু’জন তার আপন চাচা। দাদার মৃত্যুর পর তার চাচারা তাদের দাদার সমস্ত সস্পত্তি ২০১২ সালে বাটোয়ারা করেন।

বাটোয়রা সঠিক ভাবে না হওয়ায় আমার পিতা মৃত আব্দুল মালিক মকু মিয়া সে সময় ওই বাটোয়ারায় স্বাক্ষর করেননি এবং সেই বাটোয়ারা মেনে নেননি।

এসব বিষয় নিয়ে ভাইয়েদের সাথে মনমালিন্য থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালে তিনি মৃত্যু বরণ করেন। অবশেষে আমার মা ও আমরা বাদী হয়ে ২০১৪ সালে যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে ৩০১ নং বাটোয়ারা স্বত্ব মামলা দায়ের করি।

কিন্তু গত ২৯ সেপ্টেম্বর আমরা জানতে পারি, আমাদের চাচা ও চাচাতো ভাই পারভেজ মাহমুদ অপু আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভবন নির্মান কাজ করাচ্ছে। আমরা নির্মান কাজে বাঁধা দিলে তারা আমাদের উপর চড়াও হয় এবং আমাদের হত্যার হুমকী দেয়। আর এখন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে আমাদের স্বত্ব আত্মসাৎ করতে উঠে পরে লেগেছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল বলেন, এবিষয়টি এস আই যতন’কে দেখতে বলেছি।

এস আই যতনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সাধারণ ডায়েরীর প্রেক্ষিতে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা পাই। যেহেতু ওই সম্পত্তির উপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে তাই আমি তাদের কাজ বন্ধ করে দেই।