গোয়াইনঘাটে সতিনকে হত্যা : গোলাপগঞ্জে তরুণীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার

13

সবুজ সিলেট ডেস্ক
মোবাইল ফোন নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে গোয়াইনঘাটে সতিনকে শাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঘাতক সতিনকে মেয়েসহ আটক করেছে পুলিশ। এদিকে গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এক টিলা থেকে অজ্ঞাতনামা যুবতীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে সতিনকে হত্যার ঘটনা ও গতকাল বৃহস্পতিবার তরুণীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি জানান, গোয়াইনঘাটে মোবাইল ফোনে কথা কাটাকাটির জের ধরে সতিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম মনোয়ারা বেগম। তিনি উপজেলার পাইকরাজ গ্রামের আব্দুল মতিনের দ্বিতীয় স্ত্রী। গত বুধবার রাতে আব্দুল মতিনের বসত বাড়িতে হত্যাকান্ডের এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের সতিন আব্দুল মতিনের প্রথম স্ত্রী সাহেনা বেগম ও তার মেয়ে সুলতানা বেগমকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আটক করেছে পুলিশ।

গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. আব্দুল জলিল বলেন, আব্দুল মতিন তার দুই স্ত্রী সাহেনা ও মনোয়ারাকে নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করতেন। গত বুধবার রাতে মোবাইল ফোনে কথাকাটাকাটির জের ধরে দুই সতিনের মধ্যে ঝগড়া মনোয়ারার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সাহেনা ও তার মেয়ে। মনোয়ারা বেগমকে হত্যায় জড়িত সন্দেহে সতিন সাহেনা ও তার মেয়ে সুলতানাকে আটক করেছে পুলিশ।

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, গোলাপগঞ্জে অজ্ঞাত এক যুবতীর (২৫) গলাকাটা ও হাত-পা বাঁধা বিবস্ত্র অবস্থায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউপির রায়গড় গ্রামের লেচুবাগানের একটি টিলা থেকে অজ্ঞাতনামা যুবতীর গলাকাটা বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, বুধবার রাতের কোন এক সময় ঘাতকরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে জবাই করে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের প্রাথমিক সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি একেএম ফজলুল হক শিবলী জানান, লাশের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ চেষ্টা অব্যাহত আছে।