বছরের প্রথম দিনে পাঠ্যপুস্তক উৎসব ও জাতীয় শিক্ষা নীতির অপর নাম নুরুল ইসলাম নাহিদ

313

ইউনেস্কো কর্তৃক ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি

লেখকমোহাম্মদ আব্দুল মুমিত
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ)-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটের প্রার্থী কে হচ্ছেন সে বিতর্কের অন্ত নেই। মুজিব আদর্শের একজন কর্মী হিসেবে আমিও সে বিতর্কে জড়ালাম। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকেই মনোনয়ন দিবেন, আমাদের কাজ তার বিজয় সুনিশ্চিত করা। আমরা অনেকেই খলিফা যুগের অবসান কিংবা সুবিধাভোগীদের যন্ত্রণায় ক্ষিপ্ত হওয়া এমন একটি ব্যক্তিকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দিচ্ছি তো দিচ্ছি। আমরা সুবিধাভোগীদের যন্ত্রণায় এমন এক ব্যক্তি নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে আছি, সে বিতর্কের অবসান হউক।

নুরুল ইসলাম নাহিদ এমন এক ব্যক্তির নাম যিনি প্রধানমন্ত্রীর Good list এর তালিকায় ১ম নয়তো ২য়। যিনি বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশও বটে, যাঁর নেই কোন অহংকার নেই কোন গরিমা। যিনি ৬০ দশকের ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে বর্তমান সরকারের সফলতম শিক্ষা বিপ্লবের অগ্রদূত। ইউনেস্কো কর্তৃক বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের স্বীকৃতি আদায়, বছরের প্রথম দিনে ছাত্রদের হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দিয়ে এবং সর্বজন স্বীকৃত জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে বাংলাদেশের ইতিহাসের অংশ হয়ে দৃশ্যমান। যে ব্যক্তিটি সকাল ৮টা থেকে শুরু করে রাত-দুপুর পর্যন্ত প্রতিনিয়ত জনগণের সেবায় ব্যস্ত।

নুরুল ইসলাম নাহিদ এমন এক মন্ত্রী বা এমপি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক উদাহরণ। প্রতিটি মাসে প্রায়ই তাঁর নির্বাচনী এলাকা বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে আমাদের মাঝে হাজির হন। বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জের এমন কোনো সেক্টর নেই যে নুরুল ইসলাম নাহিদের অবদান অস্বীকার করতে পারবে।

আমরা যারা, চাটুকার আর সুবিধাভোগীদের যন্ত্রণায় ক্ষিপ্ত, আমাদের মনে রাখতে হবে সুবিধাভোগীদের কোন দল, চরিত্র বা ব্যক্তি নেই, ‘তারা যখন যেমন, তখন তেমন’, তারা নাহিদের স্থলে অন্য নাহিদের সৃষ্টি হলে কিংবা সময়ের পট পরিবর্তন হতে না হতেই তারা তাদের স্থান দখল করে নিবে।

যে দৌঁড়ে আপনি, আমি পরার কথা নয়, কেননা দালাল সব সময়ই দালাল। সুবিধাভোগী সব সময়ই সুবিধাভোগী; তাদের যেখানে কোন চরিত্রই নেই সেখানে তাদের আবার ভাবনা কিসের?

আমরা যারা তাদের আচরণের অতিষ্ট বা ক্ষিপ্ত তখন আমরা নিজেকে নিজে প্রশ্ন করা বা ভেবে দেখাও উচিত। ব্যক্তি নাহিদের কাছে কী আমরা কখনও আমাদের অভাব-অভিযোগ তুলে ধরেছি? আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে কী কখনও ব্যক্তি নাহিদ আমাদের বঞ্চিত করেছেন?

মনে রাখতে হবে কোন ক্ষেত্রে নুরুল ইসলাম নাহিদ হেরে যাওয়া মানে সততা, পরিশ্রম আর ন্যায়পরায়নতা হেরে যাওয়া।বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জে নয় গোটা বাংলাদেশে এ রকম নিরহংকারী জাতীয় নেতা কখন জানি জন্মায়। স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির প্রকৃতি জননেতা নুরুল ইসলাম নাহিদ।


লেখক-মোহাম্মদ আব্দুল মুমিত, প্রধান শিক্ষক, রাজা জি.সি. হাই স্কুল, সিলেট।