তাবলীগ ইস্যু : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বরাবরে মাদানী কাফেলার স্মারকলিপি

16

সবুজ সিলেট ডেস্ক

টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে আলেম, ছাত্র ও তাবলীগের মুসল্লীদের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে তিন দফা দাবিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে মাদানী কাফেলা বাংলাদেশ। সোমবার দুপুরে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।

জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সন্দ্বীপ কুমার সিংহ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপদেষ্টা সদস্য ও মুফতি মুতিউর রহমান, কাফেলার সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী, সহসাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা সৈয়দ শোয়াইব আহমদ, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে প্রদত্ত স্মারক লিপিতে উল্ল্যেখ করা হয়, তাবলীগ জামাত মুসলমানদের একটি ঈমানী-ইসলাহি প্রতিষ্ঠান। উপমহাদেশের বিখ্যাত ইসলামী বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের কৃতি ছাত্র মাওলানা ইলিয়াস (র.) কর্তৃক পরিচালিত এই তাবলীগ জামাতের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ইসলামের সঠিক দাওয়াত পেয়ে নিজেদেরকে উপকৃত করে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কতিপয় অশিক্ষিত-অল্পশিক্ষিত লোক বিশেষ মহলের ইন্ধনে আলেম উলামা ও তাবলীগের প্রকৃত অনুসারীদের নিজেদের মনগড়া মতবাদ গ্রহণ করার জন্য অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে দারুল উলুম দেওবন্দসহ বাংলাদেশের র্শীষ আলেম-উলামাগন এব্যাপারে সর্তকবাণী উচ্চারণ করায় তারা কওমি মাদরাসা ও আলেম-উলামাদের বিরুদ্ধে নানা কুৎসা রটনা করে যাচ্চে। এতে জনমনে নানা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বিপদগামী মৌলানা সাদ এর অনুসারীগণ গত ১লা ডিসেম্বর শনিবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে রাজধানী ঢাকার টঙ্গীস্থ ইজতেমা মাঠে নিরীহ তাবলীগী সাথী ও মাঠে কর্মরত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে আক্রমণ করেছে। এতে একজন নিহত ও দুই শতাধিক মুসল্লী মারাত্মক আহত হয়েছেন, যা অত্যন্ত দু:খ জনক।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, টঙ্গীর মাঠের নির্মম এইট্রাজেডির মদদদাতা এবং ঘটনার সঠিক তদন্ত করে এর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ওয়াসিফসহ ঘটনার ইন্ধনদাতাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদান করা হোক। একই সাথে তাবলীগের নামে বাংলাদেশে উগ্র সাদপন্থীদের সকল প্রকার কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক। ৭-১১ (২০১৮) ডিসেম্বর পর্যন্ত পূর্ব নির্ধারিত জোড় এবং দুই পর্বে ১৭-২৫ জানুয়ারী (২০১৯) পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমা যথাসময়ে অনুষ্টিত হওয়ার ব্যাপারে সরকারের সহায়তা কামনা করছি।