৩ মাসের মধ্যে বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলা হবে : গণপূর্তমন্ত্রী

5

সবুজ সিলেট ডেস্ক
রাজধানীর হাতিরঝিলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলার কাজ আগামী ৩ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এ কথা বলেন।

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘বিজিএমইএ ভবন ভাঙার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন ভাঙার জন্য কোটেশন পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। ভবনটি ভাঙার পর ব্যবহারযোগ্য অংশ ক্রয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে কোটেশন জমা দিতে বলা হয়েছে।’

মন্ত্রী জানান, ২৫ তারিখ থেকে ১ সপ্তাহের মধ্যে কার্যাদেশ দিয়ে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নেয়া হবে। তবে তার আগে নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করে দেখা হবে। এছাড়া এই ভবন ভাঙার সময় র‌্যাংগস ভবনের মতো কোনো দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই কাজ করা হবে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ভবনটি সিলগালা করে রাজউক। বিজিএমইএ ভবনে থাকা এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকদের কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ শাখায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে বিজিএমইএর বর্তমান ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যানসারের মতো’ উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন। এর বিরুদ্ধে বিজিএমইএ লিভ টু আপিল করে, যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়। রায়ে বলা হয়, ভবনটি নিজ খরচে অবিলম্বে ভাঙতে আবেদনকারীকে (বিজিএমইএ) নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। এতে ব্যর্থ হলে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রাজউককে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হলো। পরে ভবন ছাড়তে উচ্চ আদালতের কাছে সময় চায় বিজিএমইএ। প্রথমে ছয় মাস এবং পরে সাত মাস সময়ও পায় তারা। সর্বশেষ গত বছর নতুন করে এক বছর সময় পায় সংগঠনটি। সে সময় তারা মুচলেকা দেয়, ভবিষ্যতে আর সময় চাওয়া হবে না।