সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির কমিটি হলো দুই বছর পর পূর্ণাঙ্গ

20

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: আংশিক কমিটি গঠনের প্রায় দুই বছল পর পূর্ণাঙ্গ হলো সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির কমিটি। ১৫১ সদস্যের এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন সংগঠনের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার বিকালে বিএনপি মহাসচিব সুনামগঞ্জ বিএনপির এই কমিটির অনুমোদন দেন।

পূর্ণাঙ্গ কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, সহ সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন, ওয়াকিফুর রহমান গিলমান, আব্দুল লতিফ জেপি, নাদের আহমদ, আবদুল মোতালেব খান, অ্যাড. মল্লিক মইন উদ্দিন সুহেল, অ্যাড. শেরেনূর আলী, আকবর আলী, অ্যাড. মাসুক আলম, আশিকুর রহমান আশিক, আবুল কালাম আজাদ, নুরুল ইসলাম সাজু, সেলিম উদ্দিন, আ ত ম মিসবাহ্, রেজাউল হক, আবুল মনসুর শওকত, অ্যাড. আব্দুল হক, ফুল মিয়া চেয়ারম্যান, বেগম লুৎফা আনোয়ার, ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সৈয়দ তিতুমীর, শামসুল হক নমু, আবদুর রহমান, ফারুক আহমদ, তকদ্দুস আলী পীর, আনছার উদ্দিন, গনেন্দ্র চন্দ্র দাস, অ্যাড. তৈয়বুর রহমান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল, যুগ্ম সম্পাদক নুর হোসেন, কাজী নাসিম উদ্দিন লালা, এ টি এম হেলাল, সোয়েব আহমদ, মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক, অ্যাড. জিয়াউর রহিম শাহীন, আব্দুল্লাহ আল নোমান, মো. মোনাজ্জির হোসেন সুজন, অ্যাড. আমিরুল হক, মামুনুর রশিদ শান্ত, জুয়েল মিয়া, আলতাফুর রহমান খসরু, নজরুল ইসলাম, নিজাম উদ্দিন, জুনাব আলী, আবু হুরায়রা ছুরত, কোষাধ্যক্ষ সাইফুল্লাহ হাসান জুনেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, গোলাম আম্বিয়া মাজকুর পাভেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ আলম, আবদুর রহিম, আলহাজ্ব আবদুল বারী চেয়ারম্যান, আতাউর রহমান এমরান, আবু সুফিয়ান, আফজল হোসেন স্বপন, দফতর সম্পাদক জামাল উদ্দিন বাকের, সহ দফতর সম্পাদক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, প্রচার সম্পাদক মঈন খান ময়না, সহ প্রচার সম্পাদক মোমিনুল হক কালার চান, আলী আমজাদ, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আকবর আলী, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ওমর খৈয়াম, সহ প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক গোলাম হোসেন শাকিল, লুৎফর রহমান খান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শামসুর রহমান, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. হামিদ সোলায়মান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. হাফেজা ফেরদৌস লিপন, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক খাদিজা বেগম কলি, যুব বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মামুনুর রশিদ কয়েছ, সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক এম এম সুহেল, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হাসান রাজু, সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমদ, সহ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম দিলু, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এখলাস উদ্দিন তালুকদার, সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আবদুল লতিফ, হাজী শাহাবুদ্দিন শাবলু, জুলফিকার আলী রানা, রওশন খান সাগর, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদত মোনাজ্জির হোসেন, সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হেলাল মিয়া, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামসুর রহমান শামসু, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ভাস্কর রায়, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শামসুর রহমান বাবুল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অশোক তালুকদার, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক রাখাব উদ্দিন, সহ মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জাকির খান আঙ্গুর ও নুর আলী, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কামাল পাশা ও আনোয়ার হোসেন, ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার পারভেজ, শিশু বিষয়ক সম্পাদক শহিদুর রহমান সোহেল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক হারুন অর রশিদ, সহ ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মুসাব্বির, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আবদুল গনি, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আশিকুর রহমান, সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জাহেদ মিয়া, স্থানীয় বিষয়ক সম্পাদক ছায়াদুর রহমান ছায়াদ, সহ স্থানীয় বিষয়ক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম জুয়েল চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন সুমেন, মাসুম আহমদ তালুকদার ও আবুল হাসনাত চেয়ারম্যান, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সহ শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক কয়েছ আহমদ, তাঁতী ও মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক নাজির উদ্দিন চৌধুরী, সহ তাঁতী ও মৎস্যজীবী বিষয়ক সম্পাদক সোহেল মিয়া, নির্বাহী সদস্য অ্যাড. ফজলুল হক আছপিয়া, নাছির উদ্দিন চৌধুরী, মিজানুর রহমান চৌধুরী, নজির হোসেন, সৈয়দ মুনসেফ আলী, আ স ম খালেদ, মো. শাহজাহান মাস্টার, ব্যারিস্টার আবিদুল হক, আফসার উদ্দিন, সবুজ মিয়া, অ্যাড. ফারুক আহমদ, নুরুল হক আফেন্দি, ব্যারিস্টার মাহাদিন, অ্যাড. সবাব উদ্দিন, আবদুল মুকিত, মো. কবির আহমদ, মনিরুল ইসলাম, প্রফেসর হারুনুর রশিদ সরকার, মানিক মাস্টার, জুলফিকার আলী ভুট্টু, রতি চন্দ্র দাস, ফুল মিয়া, মইদর আলী, গোলাম কিবরিয়া, জুয়েল আহমদ সোনা মিয়া, আবদুল মতিন, মহিবুল হক, আবু তাহের, এজাজুর রহমান শাহিন, শামসুদ্দোহা, অলিউর রহমান অলি, আজিজুল হক, আবুল কাশেম দুলু, আবদুল কাইয়ুম সিপু, হুমায়ুন কবির, কামাল হোসেন, ইকবাল হোসেন মন্টু, অ্যাড.সাইদুল ইসলাম কামাল, আবদুল কাইয়ুম মজনু, হারুন উর রশিদ হিরা।

একই সঙ্গে জেলা বিএনপির ৩০ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটির অনুমোদন দেন বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
কমিটির উপদেষ্টারা হলেন এম কয়ছর আহাদ (যুক্তরাজ্য), অ্যাড. শহিদুজ্জামান, অ্যাড. আবুৃল মজাদ চৌধুরী, মুক্তার হোসেন, মুজিবুর রহমান মুজিব, ওসমান গনি চেয়ারম্যান, আব্দুল হাই চেয়ারম্যান, আবদুল ওয়াদুদ চেয়ারম্যান, ফজলুল করিম বকুল, আবদুর রউফ, অ্যাড. তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল, আঙ্গুর মিয়া, নাদের আলম, সফিকুল আলম ছালেক, শাহ আবদুল গনি চেয়ারম্যান, আমিন তালুকদার, সোহেল আরমান, সোহেল আহমদ, ইমতিয়াজ আহমেদ বেলাল, নুরুল ইসলাম, আবু হুরায়রা ছাদ মাস্টার, জসিম উদ্দিন শামীম, কামাল খন্দকার, সিরাজ মিয়া, মুসাহিদ তালুকদার, রফিকুল ইসলাম খসরু চেয়ারম্যান, জাকির হোসেন, আবুল হাসনাত, ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফেন্দী ও আবদুস সাত্তার।

জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জামাল উদ্দিন বাকের জানান, ২০১৭ সালের ২৫ মে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির ৫১ সদস্যের নামোল্লেখ করে কমিটি অনুমোদন দিয়েছিলেন বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই কমিটি ১৫১ সদস্যের হবার কথা। সম্প্রতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। দলীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে তুলে দিলে দলীয় মহাসচিব তা অনুমোদন দেন।