জোট-ফ্রন্টে স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও টানাপড়েন

6

সবুজ সিলেট ডেস্ক
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে ছোটবড় বেশ কয়েকটি জোট হয়েছিল। এসব জোট গঠনের কেন্দ্রে ছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। এই দুই দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে দলগুলো নির্বাচনে অংশ নেয়। তবে নির্বাচনের পর জোটগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে। কোনো কোনো জোটে স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও টানাপড়েন শুরু হয়েছে।
৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে ছয়টি রাজনৈতিক জোট গঠিত হয়। এগুলো হলো-ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট, বাম গণতান্ত্রিক জোট, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট, মিছবাহুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স, নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন জাতীয় জোট (বিএনএ)।
এর বাইরে আটটি জোট ছিল। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট, বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট রয়েছে। ছিল বাম মোর্চা ও সিপিবি-বাসদ জোট। এছাড়া বিভিন্ন সময় গঠিত হয়েছে এরশাদের নেতৃত্বে সম্মিলিত জাতীয় জোট, জাকির হোসেনের নেতৃত্বে প্রগতিশীল জোট, শেখ ছালাউদ্দিন ছালুর নেতৃত্বে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, আলমগীর মজুমদারের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক জোট।
আদর্শ, লক্ষ্যহীন ও স্বার্থকে কেন্দ্র করে গঠিত এসব নির্বাচনি জোট শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সুযোগ-সুবিধার আশায় অনেক জোট গঠন হয়। ভুঁইফোড়, কর্মী-সংগঠনবিহীন ব্যক্তিরা জোট গঠন করে বড় দলগুলোর কাছে ঘেঁষতে চায়। নির্বাচন হয়ে গেলে তরা সটকে পড়েন। ব্যস্ত হয়ে যান নিজেদের কাজে।
এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘নির্বাচনের হালুয়া রুটি ভাগের আসায় ভুঁইফোড়, কর্মী-সংগঠনবিহীন ব্যক্তিরা জোট গঠন করেন। নির্বাচন শেষে এই জোটর মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়ে যায়। কারণ এসব জোটের কোনো আর্দশ, লক্ষ্য থাকে না।’
নানান চড়াই-উতরাইয়ের পর একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বিএনপি, গণফোরাম, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে এই জোট গঠন হয়। জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করে তারা। কিন্তু নির্বাচনে ভরাডুবির পর বিভিন্ন ইস্যুতে জোটের শরিকদের মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়। বিএনপির শীর্ষ দুই নেতা জোটের বৈঠকে যাওয়া বন্ধ করে দেন। সর্বশেষ সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণকে কেন্দ্র করে অনেকটা কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছে এই জোট।
নির্বাচনের দিন রাতেই ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা। জোটের নির্বাচিত কোনো সদস্য শপথগ্রহণ করবে না বলেও জানান তারা। কিন্তু জোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রথম শপথগ্রহণ করেন গণফোরাম থেকে নির্বাচিত সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর। এরপর জোটের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন এবং মুখপাত্র বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘যারা শপথ নেবেন তারা জাতীয় বেঈমান।’ সুলতান মুনসুরকে জোট থেকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু ব্যতিক্রম ঘটে মোকাব্বির খানের সময়। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করেন ড. কামাল।
এরপর ২৫ এপিল শপথগ্রহণ করেন বিএনপির সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নেওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করে দলটি। কিন্তু ২৯ এপ্রিল শপথগ্রহণের শেষ দিন বিকালে চারজনকে শপথ নেওয়ার অনুমতি দেয় বিএনপি। ওই দিন রাতে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তে বিএনপির চার জন শপথ নিয়েছেন।’ পরে এক আলোচনাসভায় তিনি বলেন, ‘তাদের সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল।’
চার সংসদ সদস্যকে শপথগ্রহণের অনুমতি দেওয়ায় জোটের শরিকরা ক্ষুব্ধ হয় বিএনপির ওপর। ফলে জোটের গণজমায়েত কর্মসূচিও বাতিল করা হয়। রমজানে ইফতার মাহফিল করার কথা থাকলেও তাও হচ্ছে না। এছাড়া জোটের নানা অসঙ্গতির সমাধান করা না হলে ৮ জুন জোট ছাড়ার ঘোষণা দেন কাদের সিদ্দিকী।
জোটের সার্বিক বিষয় নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে জোটের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা রয়েছে। এই কারণে জোট ঘোষিত কর্মসূচিগুলো বাতিল করা হয়েছে। আমরা এখন সবাই নিজ নিজ দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি ঈদের পর জোটের বৈঠক করে কীভাবে সামনের দিকে এগোনো যায় সেসব নিয়ে কথা বলবো।’
বিকল্পধারার চেয়ারম্যান বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপিকে ১৫০ আসন এবং জামায়াত ছাড়ার শর্ত দিলে তাদের বাদ গঠিত হয় ঐক্যফ্রন্ট। এরপর বি. চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট। আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করে জোটটি। নির্বাচনে বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান ও যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরী নির্বাচিত হন।
যুক্তফ্রন্টের দলগুলো হলো, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বিএলডিপি (সভাপতি নাজিম উদ্দিন আল আজাদ), বাংলাদেশ ন্যাপ (সভাপতি জেবেল রহমান গানি), এনডিপি (চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তুজা), জাতীয় জনতা পার্টির (সভাপতি শেখ আসাদুজ্জামান), বাংলাদেশে জাতীয় পার্টি (সভাপতি অধ্যক্ষ মতিন), গণসাংস্কৃতিক দল (সভাপতি সর্দার শামস আল মামুন), বাংলাদেশ জনতা লীগ (সভাপতি ওসমান গণি বেলাল), বাংলাদেশ শরীয়া আন্দোলন (সভাপতি মাসুম বিল্লাহ) ও বাংলাদেশ লেবার পার্টি।
যুক্তফ্রন্টের শরিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই জোট গঠন করে লাভবান হয়েছে বিকল্পধারা। কারণ জোটের মধ্যে ১০টি দল থাকলেও বিকল্পধারার নেতারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতা করেছে শুধু নিজেদেরটা। এই কারণে আওয়ামী লীগ বিকল্পধারাকে দু’টি আসনে ছাড় দিয়েছে। অন্য কোনো দলের নেতাদের ছাড় দেয়নি। এই নিয়ে জোটের শরিকরা মনক্ষুণ্নও হয়। এসব কারণে জোট শরিকরা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। রাজনৈতিক কার্যক্রম বাদ দিয়ে সবাই ব্যস্ত নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্যে।
বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য শমসের মবিন চৌধুরী বলেন, ‘আপাতত জোটের কোনো কর্মসূচি নেই। রমজান মাস, সবাই এই নিয়ে ব্যস্থ আছে। ঈদের পরে জোটের শরিকদের সক্রিয় করা চেষ্টা করা হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জোটের সব দলের চাওয়া-পাওয়া তো পূরণ করা সম্ভব নয়। ফলে যাদের চাওয়া পূরণ হবে না তাদের মন খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক।’
বিএনপির সাবেক নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বে নির্বাচনের আগে গঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয় জোট (বিএনএ)। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটগতভাবে নির্বাচন করারও ইচ্ছাও জানান তারা। ঢাকা-১৭ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্রও কেনেন তিনি। কিন্তু আওয়ামী লীগ তাকে মনোনয়ন দেয়নি। বর্তমানে দলটির কোনো কার্যক্রম নেই। আওয়ামী লীগও তাদের কোনো কর্মসূচিতে তাদের ডাকে না।
নাজমুল হুদা বলেন, ‘আপাতত আমাদের জোটের কোনো কর্মসূচি নেই। জোটও সক্রিয় নেই। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট কোনো অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিলে যাই। আগামীতে জোটকে সক্রিয় করার চিন্তা আছে।’
এই জোটের দলগুলো হলো-তৃণমূল বিএনপি, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স, সম্মিলিত ইসলামিক জোট, কৃষক শ্রমিক পার্টি, একামত আন্দোলন, জাগো দল, ইসলামিক ফ্রন্ট ও গণতান্ত্রিক জোট। এর আগে ২০১৫ সালে নাজমুল হুদার নেতৃত্বে ২৫ দলীয় জোট বাংলাদেশ জাতীয় জোট (বিএনএ) গঠিত হলেও তা কিছুদিন পরই ভেঙে যায়।
একাদশ নির্বাচন সামনে রেখে ১৫টি ইসলামি দল মিলে ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স জোট গঠিত হয়। নির্বাচনে এই জোট ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে। যদিও এই জোট থেকে কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হননি। কিন্তু নির্বাচন শেষ হওয়ার চার মাসের মাথায় এই জোট ভেঙে একটি দলে পরিণত হচ্ছে। আগামী ২৫ মে সম্ভাব্য ইসলামিক ডেমোক্রেটিক পার্টি (আইডিপি) নামে দলটির আত্মপ্রকাশ হবে। বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরীকে চেয়ারম্যান, সাবেক সংসদ সদস্য এমএ আউয়ালকে কো-চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র এবং অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম মহাসচিব হিসেবে নতুন দলের দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানা গেছে।
ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স মুখপাত্র এমএ আউয়াল বলেন, ‘আমাদের জোট ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। তবে জোটের মধ্যে থাকা সব দল মিলে একটি দল করা হচ্ছে। আগামী ২৫ মে নতুন দলের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।’
ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স জোটভুক্ত দলগুলো হলো, মিছবাহুর রহমান চৌধুরীর বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট, নুরুল ইসলাম খানের গণতান্ত্রিক ইসলামিক মুভমেন্ট, এমএ রশিদ প্রধানের বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি, হাসরত খান ভাষানীর বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ন্যাপ (ভাষানী গ্রুপ), রুমা আলীর বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, মাওলানা শাহ মোস্তাকিম বিল্লাহ ছিদ্দিকীর বাংলাদেশ জমিয়তে দারুসসুন্নাহ, মাওলানা হারিছুল হকের বাংলাদেশ ইসলামী ডেমোক্রেটিক ফোরাম, হাকিম গোলাম মোস্তফার বাংলাদেশ গণকাফেলা, মুফতি ফখরুল ইসলামের বাংলাদেশ জনসেবা আন্দোলন, কাজী মাসুদ আহমদের বাংলাদেশ পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি, রেজাউল করিম চৌধুরীর বাংলাদেশ ইসলামী পেশাজীবী পরিষদ, মুফতি সৈয়দ মাহাদী হাসান বুলবুলের ইসলামী ইউনিয়ন বাংলাদেশ, খাজা মহিবুল্লাহ শান্তিপুরীর বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন ও আব্দুল্লাহ জিয়ার ন্যাশনাল লেবার পার্টি। তবে নতুন দলে এখান থেকে আটটি দল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
নির্বাচনি জোটগুলোর মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রমী বাম গণতান্ত্রিক জোট। এই জোটটি আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপি কারও সঙ্গে জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করেনি। তারা নিজেদের ব্যানারে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। এখন পর্যন্ত এই জোটে ভাঙন বা টানাপড়েনের খবর পাওয়া যায়নি। তবে মাঠের রাজনীতিতে জোটটির সক্রিয়তা কিছুটা কমেছে।
নির্বাচনের পরে এই জোটটি প্রথম ‘নির্বাচনের কারচুপি’র ওপর গণশুনানি করে। পুনর্নির্বাচনের দাবিতে বেশ কয়েকটি আলোচনাসভাও করে। বর্তমানে তারা গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং ধানের মূল্যবৃদ্ধির কর্মসূচি পালন করছে।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের দলগুলো হলো, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী), গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন।
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সাইফুল হক বলেন, ‘আমাদের জোটের কর্মসূচি অব্যাহত আছে। পুনর্র্নিবাচনের দাবিতে আগামীতে আরও কর্মসূচি দেওয়া হবে। এছাড়া তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদেও আমরা কর্মসূচি পালন করছি।’
এর বাইরেও একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মহাজোটের সঙ্গী ছিল সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। কিন্তু নির্বাচনে পরে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের জোট ছেড়ে সংসদের বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে।
একাদশ সংসদে সরকারের মন্ত্রিসভায় ১৪ দলীয় জোটের কাউকে না রাখায় শরিকদের মধ্যে অসন্তুষ্টি দেখা দেয়। প্রকাশ্যে জোটের নেতারা এই নিয়ে বক্তব্য দেন। আর ২০ দলীয় জোটে ভাঙনের শুরু হয়। বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়াসহ বিভিন্ন কারণে গত ৭ মে জোট ছাড়ে আন্দালিভ রহমানের পার্থের দল বিজেপি। এছাড়া সম্মিলিত জাতীয় জোট নিষ্ক্রিয়। এই জোটের কোনো কার্যক্রম নেই।