নাজিলার সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক- নেইমার

13

স্পোর্টস ডেস্ক
মডেল নাজিলা ট্রিনডেডের (২৬) সম্মতিতে তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের দাবি করেছেন পারিস সেইন্ট জার্মেইন স্ট্রাইকার, ব্রাজিলের তারকা খেলোয়াড় নেইমার জুনিয়র। ওদিকে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করা নাজিলার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে অভিযোগ করার ৬ দিন পরে গত ২১ মে। এ বিষয়ে বক্তব্য রেকর্ড করতে ব্রাজিলের একটি পুলিশ স্টেশনে শুক্রবার হাজিরা দিয়েছিলেন নাজিলা। সেখান থেকে তাকে পাঁজাকোলা করে বের করে আনতে দেখা গেছে তার আইনজীবী ডানিলো গারসিয়া ডি আন্দ্রাদেকে। এ সময় নাজিলার মুখ ছিল দু’হাতে ঢাকা। এসব খবর দিয়েছে বৃটেনের একটি অনলাইন ট্যাবলয়েড পত্রিকা।
ওদিকে নেইমারের সঙ্গে নাজিলার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের এক মিনিটের যে ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে তাতে এমন কিছু তথ্য মিলেছে, যা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় নাজিলার সঙ্গে নেইমার আগেও যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন, যদিও বিষয়টি আদালত নির্ধারণ করবে। বিশ্বখ্যাত যে কয়েকজন ফুটবলার বর্তমানে রয়েছেন তার মধ্যে শীর্ষদের অন্যতম নেইমার জুনিয়র।
তার বিরুদ্ধে এমন রগরগে অভিযোগের পর সচকিত বিশ্ববাসী। পত্রিকার পাতায় পাতায় এ নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ হচ্ছে। ছড়িয়ে পড়েছে মিডিয়ায়, ইন্টারনেটে।
বৃটিশ ওই পত্রিকাটি লিখেছে, ব্রাজিলের ওই যুবতী মডেলকে প্যারিসের পাঁচ তারকা সোফিটেল প্যারিস আক ডু ট্রিওম্ফে’তে আসার ও সেখানে তার থাকার ব্যবস্থা করে দেন নেইমার। নাজিলা সেখানে উপস্থিত হলে তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে যান নেইমার। এ সময় যৌন নেশার উন্মাদনা পেয়ে বসে তাকে। তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন হয়। ওই সময় নাজিলা তাকে কনডম ব্যবহার করার অনুরোধ জানান। কিন্তু নেইমার তা প্রত্যাখ্যান করেন। তবে এ অভিযোগকে প্রত্যাখ্যান করে নাজিলাকে মিথ্যাবাদী বলে আখ্যায়িত করেছেন নেইমার এবং বলেছেন, নাজিলা তার কাছ থেকে উৎকোচ আদায়ের চেষ্টা করছেন।
কিন্তু প্রেজেন্টার রবার্তো ক্যাব্রিনির মাধ্যমে নাজিলা বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে নেইমারের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। এরপর প্যারিসের ওই হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেন নেইমার। এ বিষয়ে এক সাক্ষাতকারে নাজিলা বলেছেন, নেইমারকে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে মনে করে তার সঙ্গে কথা বলেছিলাম। কিন্তু তার মধ্যে ছিল যৌন আকাঙ্খা। আমার শরীরের প্রতি ছিল লোভ। নাজিলা বলেন, তিনি আমার কাছে জানতে চাইলেন আমি তার সঙ্গে সাক্ষাতে যেতে পারি কিনা। জবাবে মুহুর্তের মধ্যে বললাম, আর্থিক সমস্যা রয়েছে আমার। এ সময় নেইমার আমাকে বললেন, তিনিই সব ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। তাই হলো। নেইমার প্যারিসের ওই হোটেল বুকিং দিলেন। সেখানেই তিনি আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। তাকে থামতে বললাম। তখন তিনি আমার নিতম্বদেশে লাথি মারতে লাগলেন।
নাজিলার এসব অভিযোগের কারণে নেইমারকে সমন পাঠিয়েছে ব্রাজিলের আদালত। তিনি বৃহস্পতিবার রাজধানী রিও ডি জেনিরোতে পুলিশ স্টেশনে হাজিরা দিয়েছেন। এ সময় তিনজন ব্যক্তি তাকে প্রহরা দিয়ে সেখানে নিয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলের ফুটবল কনফেডারেশন। অন্যদিকে শুক্রবার সাও পাওলোর এক পুলিশ স্টেশনে হাজিরা দেন নাজিলা। তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ আছে। বলা হয়েছে, তিনি তার সাবেক স্বামী এস্টিভেনস আলভেসকে একটি ফ্লাইটের ভিতরে ছুরিকাঘাত করেছিলেন। ২০১৪ সালে সাও পাওরোতে তার ওই সাবেক স্বামীর বুকে ছুরি বসিয়ে দিয়েছিলেন নাজিলা।