শেয়ারবাজারে টানা আট কার্যদিবসের পর দরপতন

10

সবুজ সিলেট ডেস্ক
ঈদের আগে পাঁচ কার্যদিবস এবং ঈদের পর তিন কার্যদিবস টানা ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর গতকাল বুধবার দরপতন হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচক কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
এদিন ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৪৬৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দু’টি সূচকের মধ্যে ডিএসইর-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯১৭ পয়েন্টে উঠে নেমে গেছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৪১ পয়েন্টে।
মূল্যসূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম। ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ১১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৯৫টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টির।
মূল্যসূচকের পতনের পাশাপাশি ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৫২২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৫৭৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ৫৬ কোটি ৫ লাখ টাকা।
বাজারটিতে টাকার পরিমাণে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বিবিএস কেবলসের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকার লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন এবং ১৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা লেনদেনে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন।
এ ছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- জেএমআই সিরিঞ্জ, ইস্টার্ন হাউজিং, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, সিঙ্গার বিডি, ডরিন পাওয়ার এবং ব্র্যাক ব্যাংক।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৪০ পয়েন্টে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ১৪ লাখ টাকার। লেনদেন অংশ নেয়া ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮১টির, কমেছে ১৩৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টির।