“দায়িত্বশীল নাগরিক-সমৃদ্ধ দেশ” স্লোগান নিয়ে ইউএসএ সেন্টার ফর এনআরবি’র আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হলো যুক্তরাষ্ট্র নিউইয়র্কে

27

কামরুজ্জামান (হেলাল) যুক্তরাষ্ট্র:

দায়িত্বশীল নাগরিক-সমৃদ্ধ দেশ” স্লোগানে ইউএসএ সেন্টার ফর এনআরবি’র আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৩ জুন সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে কুইন্সের হোটেল হলিডে ইনে ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজ ২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়। সেন্টার ফর এনআরবি’র চেয়ারপারসন এমএস শেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়েজুননেসা, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার (ইকোনোমিক) শাহাব উদ্দিন পাটোয়ারী, এনআইডি উইং-এর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম এনডিসি পিএসসি, খান’স টিউটোরিয়ালের চেয়ারপারসন নাঈমা খান, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস আহমেদ, সাংবাদিক ফজলুর রহমান প্রমুখ।মোসরেকা আফরোজে খাঁননের পরিচালনায় এ সেমিনারে প্রবাসীদের সমস্যা ও সম্ভাবনার প্রস্তাব তুলে ধরেন মূলধারার রাজনীতিক এ্যাটর্নী মঈন চেীধূরী, বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন ‘বাপা’র সেক্রেটারি সার্জেন্ট হুমায়ূন কবির, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, কমিউনিটি নেতা আবদুস সহিদ, সাংবাদিক আবু তাহের, সমাজকর্মী প্রফেসর হুসেন আরা, সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট ইফজাল চৌধুরী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক প্রবাসী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষবিদ, শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী, সমাজসেবক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াতের পর সেমিনারের শুরুতে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কমনওয়েলথ কুইনের সেমিনার উপলক্ষে দেয়া বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। বাংলাদেশের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন সেকিল চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ এক সম্প্রীতির দেশ, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এখন দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হচ্ছে ২০৩০ সালে বিশ্বের ৩০তম বৃহৎ অর্থনৈতিক দেশে পরিণত হবে। বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের ৬৭ শতাংশই এখন আসছে এনআরবির অর্থর মাধ্যমে তিনি প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে বৈধ পথে রেমিটেন্স প্রেরণ সহ দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনার দেশে বিনিয়োগ করুন। বর্তমান সরকার প্রবাসীদের বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান করছে। প্রবাসী বিনিয়োগ সৃষ্টিতে ব্যাপক কাজ করছে। কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসা বলেন বাংলাদেশী-আমেরিকান নাগরিকদের কল্যাণের জন্য একযোগে কাজ করার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ সব ধরনের চলমান সহায়তা অব্যাহত থাকবে।এন আইডি ডিজি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুল ইসলাম দেশে এনআইডি কিভাবে বিতরণ হচ্ছে, স্মার্টকার্ড কিভাবে কাস্টমাইজ হচ্ছে, আগামীতে কী করা হবে সেসব তুলে ধরেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, স্মার্টকার্ড দিয়ে বিদেশ ভ্রমণের সুবিধা বাস্তবায়ন করবে সরকার।মিনিস্টার (ইকোনোমিক) শাহাব উদ্দিন পাটোয়ারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রশংসা করে বলেন, প্রবাসীদের অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে। রেমিটেন্স যোদ্ধা প্রবাসীদের অব্যাহত প্রচেষ্টায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।সেমিনারে বাংলাদেশী-আমেরিকানরা বলেন, তারা দেশে বিনিয়োগ করতে চান। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, নিরাপত্তাহীনতা এবং অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতাই তাদের বিনিয়োগে বড় বাধা। প্রশাসন, আমলা, পুলিশ সহ যারা কী-পয়েন্টে আছেন তাদের দুর্নীতিমুক্ত এবং বিনিয়োগবান্ধব হতে হবে। তাহলেই প্রত্যাশিত বিনিয়োগ এবং উন্নতি সাধন সম্ভব হবে।