সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক সংস্কারে ধীরগতিতে দুর্ভোগ

17

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট ও জাউয়াবাজার এলাকায় সড়কে আরসিসি ডালাই কাজের ধীরগতির কারণে বৃষ্টির পানি ও কাদায় একাকার হয়ে এখন চরম জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। এ কারণে কয়েকদিন ধরে সিলেট–সুনামগঞ্জ সড়কের গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট ও জাউয়াবাজার আশেপাশের এলাকায় মালবাহী ও যাত্রীবাহি যানবাহনগুলোর সীমাহীন যানজট লেগেই থাকে। গোবিন্দগঞ্জে ঘন্টার পর ঘন্টা সড়কের তিন পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণের। এ দীর্ঘ যানজটে আটকা পড়ছে রোগি–লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য যানবাহনগুলো।
সড়কে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশরাও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে কাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সিলেট–সুনামগঞ্জ ও ছাতক সড়কটিতে দিন–রাত সমান তালে অসংখ্য মালবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাফেরা করে থাকে। এ জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে গোবিন্দগঞ্জ, জাউয়াবাজার, পাগলা ও দিরাই রাস্তা পয়েন্টে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরসিসি ডালাই বা সড়ক সংস্কার দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে কাজ করছেন। বৃষ্টির আগে সড়কের কাজগুলো সম্পন্ন না হওয়ার এ দুর্ভোগের চরম খেসারত দিতে হচ্ছে সড়কে চলাচলরত মানুষের। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়িদেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।
এদিকে যানবাহন চলাচলের বিকল্প রাস্তা উপযোগী না হওয়ায় বৃষ্টির পানি ও কাদামাটি জমে গর্ত সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচলে ব্যহত হচ্ছে। সড়কে গর্ত, ছোট-বড় অসংখ্য ‘মিনি পুকুরে’ পরিনত হচ্ছে। মাঝে মধ্যে এসব পুকুরে যানবাহনের চাকা দেবে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। দ্রুত এসব আরসিসি ডালাই কাজ সম্পন্ন করে নিরাপদে যানবাহন চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসী জোর দাবি জানান। গোবিন্দগঞ্জ এলাকার কবি নগর করিম ও সদরুল আমিন সুহান বলেন, সড়কে গর্ত ও বৃষ্টির পানি, কাঁদার কারণে অনেক সময় বিভিন্ন ভারি যানবাহনের চাকা দেবে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
সড়কের হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ এসআই রনু মিয়া বলেন, গোবিন্দগঞ্জে সড়কে বৃষ্টির পানিতে গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় রাতের বেলায় দূরপাল্লার যাত্রীবাহী ও মালবাহী যানবাহনগুলো চলাচলে ব্যঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় যানবাহনের চাকা গর্তে দেবে গিয়ে আটকা পড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। তাদের দৃষ্টিতে সিলেট–সুনামগঞ্জ সড়কের প্রসস্থকরণ কাজ, গোবিন্দগঞ্জ, জাউয়াবাজার, পাগলা ও দিরাই রাস্তার আরসিসি ডালাই কাজ দ্রুত সম্পন্ন হলে যানজট মুক্ত হবে এবং এ সড়কে দূর্ঘটনাও কমে আসবে।
এ ব্যাপারে সওজ বিভাগের উপসহকারি প্রকৌশলী রমজান আলী বলেন, প্রথম ধাপের কাজগুলো শেষ হলেও বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় ধাপের কাজগুলো সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছেনা। তবে যানবাহন চলাচলের রাস্তায় গর্তস্থানে সকালেই বালি ও ইট ফেলে দেয়া হবে।