কুলাউড়ায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ৭ জন

6

কুলাউড়া প্রতিনিধি
কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এপর্যন্ত পাঁচ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। তবে সবাই চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন বলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য, পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল হক।
এছাড়াও কুলাউড়ার বাসিন্দা ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ২জন রোগী সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফেরেন। পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে পৌর শহরের ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান সোহেল (৩০), ভূকশিমইল ইউনিয়নের জাবদা গ্রামের প্রবাসী রেনু মিয়া ছেলে শিক্ষার্থী কামাল হোসাইন নাজিম (২৮),
সূত্রে জানা যায়, ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত সবাই ঢাকায় বসবাস করেন অথবা ঢাকায় যাতায়াতের মাধ্যমে আক্রান্ত হয়েছেন। অনেকেই ঈদে বাড়ি ফেরার পর জ্বর ও মাথাব্যথা হওয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।
পরে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে তারা ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ সনাক্ত হওয়ায় চিকিৎসাপত্র নিয়ে তারা বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে এর মধ্যে রোগীদের শরীরে অস্বাভাবিক কিছু হলে আবার চিকিৎসকের কাছে আসার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডেঙ্গু রোগে সনাক্ত রোগীরা হলেন পৌরশহরের ১নং ওয়ার্ডের আবুল কাশেম মজুমদার, কর্মধা ইউনিয়নের দোয়ালগ্রাম এলাকার মাহমুদুল হাসান (২৮), জুড়ি উপজেলার হামিদপুর এলাকার আবু সালেহ (২৭), পৌর শহরের চাতলগাঁও এলাকার ওয়াহিদা আক্তার ও কুলাউড়ার দক্ষিণ হিঙ্গাজিয়া এলাকার কায়েস আহমদ (১৮)।
ঢাকার একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কর্মরত মাহমুদুল হাসান বলেন, গত ২৮ জুলাই ঢাকার পিজি হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করি। ওইসময় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হই। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৬ আগস্ট কুলাউড়ায় আসি। এখানেও অবস্থার অবনতি হলে কুলাউড়া হাসপাতালে চিকিৎসা নেই। বর্তমানে কিছুটা সুস্থতা বোধ করছি।
এবিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য, পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল হক বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আমরা আলাদা সেল গঠন করেছি। আমার তত্ত্বাবধানে এসব দেখাশোনা করা হচ্ছে। এপর্যন্ত ৫ জন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছেন। তবে তারা কেউ কুলাউড়ায় থেকে আক্রান্ত হননি। সবাই ঢাকা থেকে আগত। আপাতত ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। তবে রোগীর কোনরকম সমস্যা হলে হাসপাতালে আসার পরামর্শ দিয়েছি।