প্রতাপীদের বলয়বদ্ধ সিলেটে রবীন্দ্রনাথ স্মরণোৎসব প্রতিকৃতি উন্মো”ন ও নাচগানের মধ্য দিয়ে শুরু

6

স্টাফ রিপোর্টার
নানা বিষয়ে সমালোচনা, একটি বলয়ের লোকজন নিয়ে কমিটি এবং তহবিল সংগ্রহ ও ব্যয়ে অস্বচ্ছতাসহ নানা অভিযোগের মধ্য দিয়ে গতকাল মঙ্গলবার থেকে সিলেটে শুরু হয়েছে ‘সিলেটে রবীন্দ্রনাথ : স্মরণোৎসব-২০১৯’।
শুরু থেকেই কমিটি গঠন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, অংশগ্রহণকারী বাছাই, অনুষ্ঠানের অর্থের উৎস ও মোট ব্যয় নির্ধারণ না করা নিয়ে ছিল অনেক আলোচনা। কমিটি থেকে বিতর্কিত লোকজনকে বাদ দিতে নগরীতে সরকারদলীয় রাজনীতিবিদ ও সংস্কৃতিকর্মীরা করেছেন মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ। আলোচনা-সমালোচনার মুখে কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘটনাও ঘটে। এছাড়া আয়োজক পর্ষদ ব্রাহ্ম সমাজের অনুষ্ঠানকে নিজেদের অনুষ্ঠান বলে চালিয়ে দিতে গিয়ে তোপের মুখে পড়েন।
এখানেই শেষ নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে আসবেন বলে উদযাপন পর্ষদ থেকে আসবেন বলে জানানো হয়। এ নিয়ে বেশ প্রচারণাও চলে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী স্মরণোৎসবে আসছেন না। সব মিলিয়ে একটি প্রতাপী বলয়ের লোকজনদের কব্জায় এ উৎসব হচ্ছে বলে অনেক সাহিত্য ও সংস্কৃতিকর্মীদের অভিযোগ।
সব মিলিয়ে বলতে গেলে সিলেটবাসীর আয়োজনে সর্ববৃহৎ একটি উৎসব হতে চললেও ছিল না তেমন কোনো প্রচারণা। গুটিকয়েক বেলুন আর ফেস্টুন লাগিয়েই দায় সারেন আয়োজক কমিটি। আর হাতে হাতে পছন্দমতো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে আমন্ত্রণপত্র। এছাড়া এটি সিলেটের সর্ববৃহৎ উৎসব হিসেবে বলা হলেও একটি নাট্যোৎসবে যে প্রচারণা হয়, তার সিকিভাগ প্রচারণাও চোখে পড়েনি।
কিন ব্রিজ, মাছিমপুর, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ, মুরারিচাঁদ কলেজ, সিংহবাড়ি, সিলেট জেলা স্টেডিয়াম ইত্যাদি জায়গায় আলাদা আলাদাভাবে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হবে ৩ দিনব্যাপী এ রবীন্দ্র স্মরণোৎসব।
স্মরণোৎসবের পরতে পরতে রয়েছে ধূম্রজাল। নেই কোনো পূর্ণাঙ্গ বাজেট। রবীন্দ্র স্মরণোৎসব হলেও রবীন্দ্রনাথের কোনো নাটক না থাকা নিয়েও আছে ক্ষোভ। বিতর্কিতদের দিয়ে কমিটি গঠন ও দুর্নীতি মামলায় কারান্তরীণ বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অনুষ্ঠানের সমাপনী দিন উপস্থিত থাকবেন’; এমন ঘোষণা দিয়ে চাপের মুখে পদ ছাড়লেও অনুষ্ঠানের নেপথ্যের কারিগর হিসেবে সর্বক্ষেত্রে কাজ করছেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরী লিটন। এ নিয়ে চলছে সমালোচনা।
শুরুতে অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, যুগ্ম আহ্বায়ক মদনমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ ও সদস্য সচিব সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং যুগ্ম সদস্য সচিব ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরী লিটন। শেষমেশ খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়ে চাপের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন আমিনুল ইসলাম চৌধুরী লিটন। কিন্তু পদত্যাগ করলেও অনুষ্ঠানের সকল কিছুতেই জড়িয়ে আছেন তিনি। আর অব্যাহতি না নিলেও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে উৎসবের সকল কার্যক্রম থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন মদনমোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও উৎসবের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ।
সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের কারণে সকল শ্রেণির মানুষ সমর্থন জানান এ উৎসবকে। কিন্তু শুরু থেকে নানা বিতর্কের মাঝে অনুষ্ঠানের আগের দিন এসে যোগ হয় নতুন বিতর্ক। যার ডালপালা মেলে শ্রীহট্ট ব্রাহ্ম সমাজের নিজস্ব অর্থায়নে একদম স্বতন্ত্র একটি অনুষ্ঠানকে স্মরণোৎসবের অনুষ্ঠানসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক একটি বিবৃতি দিয়ে শ্রীহট্ট ব্রাহ্ম সমাজের পক্ষ থেকে নিন্দা জানানো হয়। এমনকি অন্যদের স্বতন্ত্র অনুষ্ঠান নিজেদের অনুষ্ঠানসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে অনুষ্ঠানের আগের দিন এসে পদত্যাগ করেন স্মরণোৎসবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইলেক্ট্রিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেটের সভাপতি বাপ্পা ঘোষ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘নানা কারণে অনুষ্ঠানে আয়োজনের শুরু থেকেই বিতর্ক চলে আসছিল। বলতে গেলে অনুষ্ঠানের আয় ও বাজেটের বিষয়টি নিয়েও স্বচ্ছতা নেই। কত টাকা বাজেট, কোথা থেকে আসবে, কীভাবে খরচ হবে এসব বিষয়ে আমি নিজেও প্রশ্ন করে কোনো উত্তর পাইনি। তাছাড়া শুনেছি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিভিন্নভাবে চাঁদাও নেয়া হচ্ছে। কিন্তু সে হিসেবও কেউ জানে না। কেবল তা-ই নয়, নিন্দার ব্যাপার হচ্ছে অন্যের অনুষ্ঠান নিজেদের সূচিতে অন্তর্ভুক্ত করে অনুষ্ঠানের পরিধি বড় দেখানো। তাই আমি পদত্যাগ করেছি। যদিও আরো আগেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল কিন্তু বিলম্বেই পদত্যাগ করলাম।’
এদিকে স্মরণোৎসবের নানামুখী সমালোচনা করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল মুনির গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শুরু থেকেই কমিটিতে বাংলাদেশি সংস্কৃতিতে বিশ্বাসীদের স্থান দেয়ার দাবিসহ বিএনপি-জামায়াত ঘরানার মানুষের ব্যাপারে বিরোধিতা করে আসছিলাম। যার প্রমাণও সিলেটবাসী পেয়েছেন। একজন দুর্নীতি মামলায় জেলে থাকা বিএনপি নেত্রীকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়ে দিলেন। যাহোক, সকল কিছুর পর পদত্যাগ করেছেন। তাছাড়া এত বড় একটা অনুষ্ঠান হচ্ছে, কিন্তু এর ব্যয় কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে তা কেউ জানে না। স্বচ্ছতার বিষয় হলো একটি অনুষ্ঠান শুরুর পূর্বে তার ব্যয় নির্ধারণ করা এবং আয়ের উৎস থাকলে সেগুলোও জানানো। কিন্তু এখানে তার ব্যতিক্রম হচ্ছে। এসব ঘটনা সচেতন সিলেটবাসীকে ভাবিয়ে তুলছে।’
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশের তুলনায় নাটকের ক্ষেত্রে সিলেটের নাম সর্বমহলে সমাদৃত ও গত বছর সিলেটসহ বাংলাদেশ ও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে নাট্যদল এনে নাটক প্রদর্শনীর রেকর্ড তৈরি করেছিল সিলেট। কিন্তু রবীন্দ্র স্মরণোৎসবের মতো একটি বৃহৎ আয়োজনে সিলেটের নাট্যকর্মী বা কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকে নাটক না থাকায় ক্ষুব্ধ অনেক নাট্যকর্মী। সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সম্প্রতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বিসর্জন’ নাটকের মহড়া করলেও শেষমেশ তা প্রদর্শনী করার উপযোগী না হওয়ায় তা প্রদর্শন করা সম্ভব না হলেও নাট্যালোক, সিলেট (সুরমা)-এর চলমান প্রযোজনা ‘শাস্তি’ ও কথাকলি, সিলেটের নাটক ‘মেহেরজান’ প্রদর্শন করা যেত বলেও মত নাট্যকর্মীদের।
এ প্রসঙ্গে নাট্যালোকে নাট্যকর্মী বাবুল আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সম্মিলিত নাট্য পরিষদের পক্ষ থেকে তারা যেহেতু করতে পারেননি, সে ক্ষেত্রে আমাদের জানালে আমরা অংশ নিতাম। তাছাড়া নাট্যালোকের শাস্তি নাটক সকলের দেখা। মানের ক্ষেত্রেও সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। তবুও সম্মিলিত নাট্য পরিষদের দায়িত্বশীলরা কেন উদ্যোগ নিলেন না বা আমাদের সাথে যোগাযোগ করলেন না তা আমাদের বোধগম্য নয়। কারণ সিলেটের নাট্যাঙ্গনের অভিভাবক পরিষদ হিসেবে এ ক্ষেত্রে সম্মিলিত নাট্য পরিষদের ভূমিকা আমার কাছে পরিষ্কার নয়।’
তবে নাটক না থাকার ব্যাপার নিয়ে অনেকটা ব্যথিত খোদ সম্মিলিত নাট্য পরিষদের সভাপতি মিশফাক আহমদ মিশু। তিনি বলেন, ‘এরকম একটি উৎসবে সব কিছুর সমন্বয় থাকলেও নাটক নেই। ব্যাপারটি আসলই নাট্যকর্মী হিসেবে কষ্টের। আমরা চেয়েছিলাম অন্তত একটি নাটক হোক। কিন্তু নানা কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা আশাবাদী আগামীতে রবীন্দ্রনাথ নাট্যোৎসব করব।’
উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘শত বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সিলেটে এসেছিলেন। যার শতবর্ষ উদযাপন করছে সিলেটের মানুষ। এ নিয়ে সকলের মনেই আগ্রহ কাজ করছে। আশা করি, এ আগ্রহের মাত্রা ধরে রাখতে এ উৎসব সকলের এবং সকল মানুষের অংশগ্রহণেই উৎসব সফল হবে।’
কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘কিছু মানুষ থাকে যাদের কাজই হচ্ছে সমালোচনা করা। ভালো কাজে সমালোচনা থাকবেই। সমালোচনার ব্যাপারটি মেনে নিয়েই কাজ করতে হয়।’
মোট ব্যয় কত টাকা ধরা হয়েছে এমন প্রশ্নে আরিফুল হক সঠিক কোনো উত্তর না দিয়ে তিনি বলেন, ‘শুরু থেকে বেশ বড় বাজেট হয়েছে। বিভিন্ন বাজেটের প্রস্তাবনা এসেছে। কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি সর্বনিম্ন খরচে ভালো একটি কাজ করার। যেমন বিভিন্নজন বিভিন্ন কিছু দিয়ে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছে। তাই ব্যয় মোট নির্ধারণ না করে উন্মুক্ত রেখেই কাজ হচ্ছে। তবে আমরা অনুষ্ঠান শেষে আয় এবং ব্যয় এর একটি সঠিক হিসেব ব্যাংক স্টেটম্যান্টসহ আপনাদের গণমাধ্যম মারফত ও লিফলেট আকারে উপস্থাপন করব।’
বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বর অঙ্কের চাঁদা সংগ্রহ করা হচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এসব ভিত্তিহীন। আমরা সহযোগিতা চেয়েছি। বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন রকম সহায়তা করছে। যারা অর্থ দিয়ে সহায়তা করছে তারা সোনালি ব্যাংকের একটি একাউন্টের মাধ্যমে জমা দিচ্ছে। সকল হিসেব আছে। আমরা অনুষ্ঠান শেষে সকল হিসেব উপস্থাপন করব।’
সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণ, পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও নাটক না থাকা নিয়ে সদস্য সচিব আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘এখানে যার ইচ্ছা সে আসতে পারবে। সবার জন্য উন্মুক্ত। আপনিও আসুন আমরা আপনাকেও সাদরে গ্রহণ করব। পূর্ণাঙ্গ কমিটি এভাবেই হয়েছে। বিশেষ কোন বিবেচনায় হয়নি। কাল চাইলেও কেউ আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারবেন। মোটকথা যে কাজ করতে চাইবে আমরা তাকে গ্রহণ করব। আর অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিকর্মী-নাট্যকর্মীদের অংশগ্রহণ আশানুরূপ। তবে নাটকের ব্যাপারটি আমি ঠিক বলতে পারবো না। যারা নাটকের বোদ্ধা বা নাটক বুঝেন আমি তাদের সাথে ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা করব।’
উল্লেখ্য, ঠিক একশ বছর আগে ১৯১৯ সালের ৫ নভেম্বর সকালে সিলেটে এসেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সিলেট রেল স্টেশন থেকে প্রথমে চাঁদনীঘাট হয়ে তিনি প্রবেশ করেছিলেন সিলেট শহরে। চাঁদনীঘাটে তাঁকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়ে বরণ করে নেন সিলেটের মানুষ। সিলেট শহরে তার প্রথম পদাঙ্কের জায়গা চাঁদনীঘাটেই ৩ দিন ব্যাপী ‘সিলেটে রবীন্দ্রনাথ : শতবর্ষ স্মরণোৎসব’ উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সিলেটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগমনের শতবর্ষ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ও উৎসব আয়োজক কমিটির আহবায়ক আবুল মাল আবদুল মুহিত।
সেদিন সিলেটের ব্রাহ্ম সমাজের আমন্ত্রণে এসে ব্রাহ্ম মন্দিরের একটি প্রার্থনাতেও যোগ দেন তিনি। সিলেটের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে সিলেটকে নাম দিয়েছিলেন শ্রীভূমি। দীর্ঘকাল পেরিয়ে কবিগুরুর আগমনের শতবর্ষ পূর্ণ হলো গতকাল। কবিগুরুর সিলেট আগমনের শতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে সিলেটে ৩ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বর শেষ হবে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি।
গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টায় সিলেট নগরীর চাঁদনীঘাটে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি উন্মোচন ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসবের।
সিলেটে রবীন্দ্রনাথ : শতবর্ষ স্মরণোৎসব পর্ষদের এই আয়োজন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন পর্ষদের আহ্বায়ক ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুই বাংলার দুই খ্যাতকীর্তি রবীন্দ্র গবেষক ভারতের গোহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের প্রাক্তন ডিন ঊষা রঞ্জন ভট্টাচার্য্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম মুস্তাফা।
এদিকে, সিলেটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগমনের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট নগরীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। নগবভবনের সামন থেকে এ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।