সড়কে নতুন আইন, সিলেটে প্রচারণায় ট্রাফিক পুলিশ

15

স্টাফ রিপোর্টার
নতুন সড়ক আইনের প্রচারণার অংশ হিসেবে সিলেট নগরীতে লিফলেট ও পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর চৌহাট্টা পয়েন্টে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তারা বলেন, যানজটমুক্ত শহর ও নিরাপদ সড়ক গড়ার লক্ষ্যে জনসাধারণ, পথচারী, গাড়ির মালিক এবং ড্রাইভারসহ সকলকে ট্রাফিক আইন মানার নির্দেশ দেন এবং সুন্দর একটি শহর গড়ার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় বক্তারা আরও বলেন, রাস্তা পারাপারে ফুটওভার ব্রিজ ও জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করা এবং পথচারীরা রাস্তার ডান পাশ দিয়ে চলাচল করা, গাড়ী চালানোর সময় এয়ারফোন বা মোবাইল ফোনে কথা না বলা, ট্রাফিক আইন-ট্রাফিক সাইন এবং ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশ মেনে চলা, ওভারটেকিং, ওভার লোডিং না করা, অদক্ষ চালক ও হেল্পার দিয়ে গাড়ী না চালানোর বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিকের ডিসি ফয়সল মাহমুদ, এডিসি নিকুলিন চাকমা, এডিসি জ্যোতির্ময় সরকার, এসি আবুল খয়ের , টিআই মুহিবুর রহমান, টিআই নিখিল জীবন চাকমা, টিআই হাবিবুর রহমান, হানিফ মিয়া, সার্জেট ফাহাদ মোহাম্মদ, হৈমন্তি সরকার, তানভীর আহমদ, নুরে আলম সিদ্দিকী রাসেল, চয়ন নাইডু, সুজন দেবনাথ, নাজমুল আলম প্রমুখ। প্রসঙ্গত, নতুন এ আইনে সব ধরনের সাজা বাড়ানো হয়েছে। নতুন আইনে ট্রাফিক সংকেত ভঙ্গের জরিমানা ৫০০ থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার, হেলমেট না পরলে জরিমানা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে। সিটবেল্ট না বাঁধলে, মোবাইল ফোনে কথা বললে চালকের সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে কাউকে আহত করলে তিন লাখ টাকা জরিমানা ও তিন বছরের জেল হতে পারে। নতুন আইনে চালকদের লাইসেন্স পেতে অষ্টম শ্রেণি, সহকারীকে পঞ্চম শ্রেণি পাস হতে হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২ পয়েন্ট রাখা হয়েছে। আইন ভঙ্গে জেল-জরিমানা ছাড়াও লাইসেন্সের পয়েন্ট কাটা যাবে। পুরো ১২ পয়েন্ট কাটা গেলে লাইসেন্স বাতিল। চালক ও তার সহকারীকে নিয়োগপত্র দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। গণপরিবহনে ভাড়ার চার্ট প্রদর্শন না করলে বা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি কিংবা আদায় করলে এক মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা এমনকি চালকের ১ পয়েন্ট কাটা যাবে।