দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

20

সবুজ সিলেট ডেস্ক:
‘রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের ২৫তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন (কপ-২৫)’ এ যোগদান শেষে স্পেন থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ মঙ্গলবার ((০৩ ডিসেম্বর) দিনগত রাত বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৫০ মিনিটে তিনি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এর আগে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর আড়াইটা) দিকে মাদ্রিদ তোরেজন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৩৮ ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

গত রোববার (০১ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া ১০টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২২৩৭ ভিভিআইপি ফ্লাইটে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের উদ্দেশে হজরত শাহজালাল আন্তজার্তিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।

সফরের প্রথম দিন রোববার রাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। দ্বিতীয় দিন সোমবার সকালে তিনি নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

এরপর স্পেনের সর্ববৃহৎ প্রদর্শনী কেন্দ্র এবং ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু ফিরিয়া দা মাদ্রিদে প্রধানমন্ত্রী ‘কপ-২৫’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

দুপুরে জেনারেল রাউন্ড টেবিল-এ অংশ নেন শেখ হাসিনা। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ডেভিড মারিয়া সাসোলির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠক করেন।

পরে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে স্পেনের রাষ্ট্রপতি পেদ্রো সানচেসের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেলে সরকার ও সিভিল সোসাইটির মধ্যে একটি সংলাপে যোগ দেন তিনি।

এরপর স্পেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় রাজপ্রাসাদে স্পেনের রাজা এবং রানির দেওয়া অভ্যর্থনায় তিনি যোগ দেন।

২৫তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন, যা কপ-২৫ নামে পরিচিত। ২-১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের এ বার্ষিক সম্মেলন (ইউএনএফসিসিসি)।

সম্মেলনের সভাপতিত্ব করছেন চিলির পরিবেশ মন্ত্রী মিজ ক্যারোলিনা স্মিদভ জালদিভার। সম্মেলনটি চলতি বছরের নভেম্বরে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু পরিকল্পনা শুরুর আগেই নব-নির্বাচিত সভাপতি জেইর বোলসোনারো অর্থনৈতিক কারণ দেখিয়ে স্বাগতিক হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেন।

পরবর্তীতে চিলি এগিয়ে আসে এবং নতুন স্বাগতিক দেশ হয়। কিন্তু এ সম্মেলনের আগে দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই চিলিও স্বাগতিক হওয়া থেকে সরে যায়।

তখন জাতিসংঘ, চিলি এবং স্পেনের মধ্যকার পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে স্পেন স্বাগতিক দেশ হিসেবে সম্মেলনের আয়োজন করে।