ভোলাগঞ্জে এবার পাথর চাঁদাবাজি

3

আব্দুল আলিম, কোম্পানীগঞ্জ
টাকা নয়, কোম্পানীগঞ্জে এবার পাথর চাঁদাবাজির মচ্ছব শুরু করেছে কয়েকটি চক্র। তারা যান চলাচলের বিভিন্ন রাস্তায় বাঁশকল বসিয়ে বিভিন্ন নামে পাথর চাঁদা করে ফের তা বিক্রি করে।
পরিবহণ চালক, হেল্পারের কাছে অনেক সময় টাকা থাকে না আর মালিকরা দূরে থাকেন বিধায় তারা চাঁদাবাজির এ নতুন পন্থা বের করেছে। এ পন্থায় বাঁশকল চাঁদাবাজরা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা কামাই করে নিচ্ছে অবৈধভাবে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালীবাড়ির রকিব হাজির বাড়ির সামনে একটি চক্র বাঁশকল বসিয়ে পাথরবাহী ট্রাক ও ট্রলি থেকে ৩ থেকে ৪ ঘনফুট করে পাথর চাঁদা আদায় করে স্ত‚প বানিয়ে রাখে। একই সাথে উপজেলার দয়ারবাজার বল খেলার মাঠের সামনে আরেকটি বাঁশকল বসিয়ে একটি স্পোর্টস ক্লাবের নামে আদায় করা হয় ৩ থেকে ৪ ঘনফুট করে পাথর চাঁদা। এছাড়া উপজেলার আদর্শগ্রামের মসজিদের সামনে এবং একই গ্রামের মিজানের বাড়ির সামনে ও কালাইরাগ মাঠের সামনে বাঁশকল বসানো হয়েছে। এ সড়কের ৫টি স্থানে বাঁশকল বসিয়ে ট্রাক ও ট্রলি থেকে প্রায় ২০ ঘনফুট করে পাথর চাঁদা আদায় করা হয়। এভাবে হাজার হাজার ঘনফুট পাথর জমা করে তা আবার বিক্রি করে টাকা পকেটস্থ করে নেয় পাথর চাঁদাবাজরা। চাঁদা না দিলে গাড়ি আটকিয়ে চালক হেলপার ও ব্যবসায়ীদের মারধরও করা হয়। এর ফলে প্রত্যেকদিন নির্ধারিত পরিমাণের অধিক ২০-২৫ ঘনফুট করে পাথর কিনতে ও পরিবহণ করতে হয় ব্যবসায়ী ক্রেতা এবং পরিবহন শ্রমিকদের। অন্যথায় বিভিন্ন স্থানের ক্রেতারা গাড়িপ্রতি ২০-২৫ ঘনফুট করে পাথর কম পেয়ে থাকেন।
বাঁশকল বসিয়ে এসব স্থানে পাথর চাঁদা আদায়ের কোনো অনুমোদন নেই বলে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্য্য। তিনি বলেন এমনটা করা হলে শিগগিরই তাদের রিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সজল কুমার কানু জানান, এই রাস্তায় বাঁশকল বসিয়ে পাথর চাঁদা করার কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই এবং এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি। অভিযোগ না পেলেও পুলিশ স্বপ্রণোদিতভাবে এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে।