সীমান্তে চোরাচালানের অভিযোগ মুক্তিযোদ্ধার | অ্যাকশনে ডিআইজি

5

সবুজ সিলেট ডেস্ক
গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবৈধভাবে বিট কাঠাল করে ভারতীয় চোরাই গরু মজুদ ও পাচারের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি অফিস থেকে তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলার টেকনাগুল গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মুসলিম উদ্দিন ভুইয়া। তিনি বলেন, গত ২ ফেব্রæয়ারি ডিআইজির কাছে তার করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ তদন্ত শুরু হয়েছে। গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ এ অভিযোগের তদন্ত করছে।
মুক্তিযোদ্ধা মুসলিম উদ্দিন ভুইয়া অভিযোগে উল্লেখ করেন, রুস্তুমপুর ইউনিয়নের মেম্বার মো. কামাল হোসেন ভারতীয় চোরাচালান চক্রের সাথে জড়িত। বাংলাদেশ থেকে স্বর্ণ, রূপা দামী যন্ত্রপাতি ভারতের পাচার করেন। সীমান্ত দিয়ে এনে মাদক ও গরু বা অন্যান্য চোরাই মালামাল দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি আরো উল্লেখ করেন, ইউনিয়ন নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে নির্বাচিত হন কামাল। নির্বাচনের আগে হলফনামায় সম্পত্তির হিসাব দেন দুই লক্ষ টাকার। নির্বাচিত হওয়ার পরে টেস্ট রিলিফ, এলজিইডি রাস্তা কাবিখা, কাজের বিনিময়ে কর্মসূচি (শ্রমিক দিয়া কাজ না করে) এক্সেভেটার দিয়ে কাজ করা এবং একই প্রজেক্টে ২-৩ বার টাকা উত্তোলন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
২০১৫ সাল থেকে তার বাড়িতে প্রতি রাতে ভারতীয় চোরা চালানের গরু রাখার জন্য অবৈধভাবে বিট কাঠাল করেছেন।
এ ব্যাপারে মেম্বার মো. কামাল হোসেন বলেন, করিডোরের মাধ্যমে ২-৩ মাস গরু নামিয়েছি। আমি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। উন্নয়নমূলককাজ করতে চাইলে প্রতিপক্ষ বিভিন্নভাবে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
ডিআইজি অফিসে অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছে। তারা বলেন, অভিযোগ করলে তা তদন্ত হয়। এক্ষেত্রেও ব্যক্তিক্রম নয়। সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।