বানিয়াচঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

1

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচঙ্গ উপজেলার কাগাপাশা ইউনিয়নে একটি গ্রামীণ সড়কের চারবার নাম পরিবর্তন করে সরকারি বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বরাদ্দের ২০ লক্ষাধিক টাকা ইউপি চেয়ারম্যান তার পকেটস্থ করেছেন মর্মেও অভিযোগ উঠেছে।
গত রোববার বিকাল ৩ টায় বানিয়াচঙ্গ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ইউনিয়নের বাগহাতা গ্রামের আব্দুর রহমান মিয়ার পুত্র আব্দুর রউফ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাবিটা প্রকল্প ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে আনন্দ বাজার থেকে সরালিয়া হাটি পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ হয় ২ লাখ ৯৯ হাজার ১ শত ৪৫ টাকা। কর্মসৃজন প্রকল্প থেকে একই সড়কের নাম পরিবর্তন করে একই অর্থ বছরে আনন্দ বাজার উকিল মিয়ার দোকান থেকে চমকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়।
এর আগে একই রাস্তার নাম পরিবর্তন করে পূর্বের বরাদ্দ কর্মসৃজন প্রকল্প ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে আনন্দ বাজার হতে সরালিয়া হাটির জামে মসজিদ হয়ে সরালিয়া হাটির পূর্ব মাথা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের জন্য ১১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। ওই একই সড়কের নাম পরিবর্তন করে চমকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সরালিয়া হাটির জামে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা পুনর্র্নিমাণে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে টিআর প্রকল্পের ৬১ হাজার ৯ শত ২৭ টাকা বরাদ্দ হয়।
২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে একই রাস্তার ৪ বার নাম পরিবর্তন করে সর্বমোট ২০ লাখ ৮১ হাজার ৭২ টাকা বরাদ্দ নেন বানিয়াচঙ্গ ৬ নং কাগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. এরশাদ আলী। এত বরাদ্দ আনার পরও ওই সড়কে কোনো রকম কাজ না করে সব টাকা অভিনব কায়দায় আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ আব্দুর রউফের।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান এরশাদ আলী জানান, তিনি বরাদ্দ পেয়ে ভিন্ন ভিন্ন রাস্তায় কাজ করিয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মামুন খন্দকার জানান, অভিযোগে কেউ দোষী হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।