বউকে না জানিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে ইতালিতে, ফিরলেন করোনা নিয়ে

81

স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে ইতালি ঘুরতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন এক ব্যক্তি। সেখানেই বেড়াতে গিয়ে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

প্রেমের জন্য করুন পরিণতি হলো এই ব্যক্তির। ৩০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি ব্রিটেনে আপাতত কোয়ারেন্টিনে আছেন।

করোনাভাইরাসের আতঙ্কের মধ্যেই বউকে না জানিয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে ইতালি উড়ে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু ওই ব্যক্তি স্ত্রীকে জানিয়েছিলেন ব্যবসার কাজে তিনি ব্রিটেনের অন্য এক জায়গায় যাচ্ছেন। বান্ধবীর সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটিয়ে দেশে ফেরেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু শরীরে কোভিড-১৯–এর উপসর্গ নিয়ে যে তিনি ফিরেছেন, তা বুঝতে পারেননি। দেশে ফিরে চিকিৎসকের কাছে যান তিনি। কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত হয়েছেন শুনে ভয় পেয়ে যান ওই ব্যক্তি। পরে ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্যকর্মীদের ইতালি যাওয়ার পুরো ঘটনা খুলে বলেন।

তবে ওই ব্যক্তির সঙ্গিনীটিও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কি না, তা জানা যায়নি। কারণ, ব্যক্তি ওই নারীর নাম স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে প্রকাশ করেননি।

তবে ওই ব্যক্তির স্ত্রী বুঝতে পারছেন না, কীভাবে স্বামীর শরীরে সংক্রমিত হলো করোনাভাইরাসের জীবাণু।

ওই ব্যক্তি ও স্ত্রীকে আপাতত বাড়িতেই কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। যিনি এখনো জানেন, ব্যবসায়ের কাজে গিয়েই স্বামী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনাভাইরাসের কারণে ইতালি লকডাউন। ছবি: রয়টার্সকরোনাভাইরাসের কারণে ইতালি লকডাউন। ছবি: রয়টার্সহাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তিনি সংক্রমণমুক্ত হয়ে যাবেন বলেই আশা করছেন চিকিৎসকেরা।

ওই ব্যক্তি করোনার আতঙ্কের মধ্যেও বেশি চিন্তিত নিজের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে। কারণ, স্ত্রী এখনো ঘটনাটি জানেন না। স্ত্রী জানতে পারলে কী হবে, তা নিয়েই ভয় পাচ্ছেন ওই ব্যক্তি।

চীন থেকেই প্রায় পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে মারণ ভাইরাস করোনা। কিন্তু সম্প্রতি চীনের চেয়েও বাজে অবস্থা ইউরোপের। ইউরোপের সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত ইতালি। ইতালিতে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ১২ মার্চ থেকে পুরো দেশ লকডাউন ঘোষণা করে ইতালি সরকার। তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট ও দ্যা ডেইলি মেইল