চুনারুঘাট থানা পুলিশকে ৫০টি পিপিই দিলেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমন

9

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ::
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানা পুলিশকে ৫০টি পিপিই প্রদান করা হয়েছে। এসব পিপিই প্রদান করেন বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট ও তরুণ সমাজ উন্নয়নকর্মী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

করোনা ভাইরাস থেকে ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য গতকাল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাজমুল হকের হাতে পিপিই তুলেন এর্শাদ আম্বিয়া ফাউন্ডেশন এর সদস্য উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন-আহবায়ক সোহাগ রহমান, ভরসা একাডেমির প্রিন্সপাল নিজাম চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা সমরাট আহমেদ প্রমূখ।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, মানুষের কল্যানে কাজ করাই হলো মনুষ্যত্বের কাজ। আজ দেশের ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে যিনি দাঁড়াবেন তিনিই তো প্রকৃত মানুষ। ভালো মানুষ কারো গায়ে লেখা থাকে না, সেটা তার কর্মেই কিছুটা বুঝা যায়। তিনি আরোও বলেন- করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আজ দেশের মানুষের আর্থিক সহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় রয়েছেন। আমাদের ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে সারা দেশের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষদের মাঝে খাদ্য ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। ডাক্তার, সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সাথে নিরলসভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। তাঁদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য ৫০টি পিপিই প্রদান করি। সকলের প্রতি আহবান দেশের এই দুর্সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান। তাহলে দেশের মানুষ কিছুটা উপকৃত হবে।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ নাজমুল হক বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় পুলিশ নিরলসভাবে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে। কাজ করতে গিয়ে ইতিমধ্যে সারাদেশের ন্যায় আমাদের থানায় আমিসহ ৫ জন পুলিশ সদস্য কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে। আল্লাহর রহমতে ও সকলের দোয়ায় আমরা সুস্থ হয়ে পুনরায় মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন- ব্যারিস্টার সুমন একজন মানবিক মানুষ। আমাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য ৫০টি পিপিই প্রদান করেছেন। এতে করে আমাদের কাজের গতি আরও বাড়বে। আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ ও ধন্যবাদ জানাই।

প্রসঙ্গ, বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে এর্শাদ আম্বিয়া ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনটি ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন তার মা-বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং নিজে সেটা পরিচালনা করছেন। ফাউন্ডেশনের অর্থ্যায়নে চুনারুঘাট থানার সকল পুলিশ সদস্যদের জন্য ৫০ টি পিপিই প্রদান করা হয়। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে খাদ্য সামগ্রী, উপহার সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে।