করোনাকালের ঈদ: প্রকৃতিকন্যা জাফলং পর্যটক শূন্য

25

শাহ আলম, গোয়াইনঘাট প্রতিনিধিঃ
প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রকৃতিকন্যা জাফলংয়ে পর্যটকের ঢল নামলেও এবার করোনাভাইরাসের কারণে সব বন্ধ থাকায় পর্যটক শূন্য হয়ে হাহাকার করছে এই পর্যটন কেন্দ্র। ইট-পাথরের বাইরে প্রকৃতির একটু ছোঁয়া পেতে পর্যটকরা ঈদের ছুটিতে ভিড় জমাতেন প্রকৃতিকন্যা জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট, চা বাগান, মায়াবী ঝর্ণা, খাশিয়া পল্লী এলাকায়। কয়েক লক্ষাধিক পর্যটকদের ভিড়ে মুখর থাকতো জাফলংয়ের স্পটগুলোতে।
পর্যটকদের আগমনকে ঘিরে ব্যস্ত সময় কাটাত পর্যকের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, ফটোগ্রাফার, ট্যুরিষ্ট গাইড, নৌকার মাঝিরা। কিন্তু পর্যটক না আসায় সবাই বেকার হয়ে পড়েছেন।
জানা যায়, প্রতি ঈদে জাফলংয়ে সবচেয়ে বেশি পর্যটক দেখা যেতো। বন্ধু-বান্ধব পরিবার-পরিজন নিয়ে নানা জায়গা থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা আসতেন জাফলংয়ে। ঈদের পরদিন সকাল থেকে হাজারো মানুষের কোলাহলে উৎসবমুখর হয়ে উঠতো এই এলাকা। পর্যটকে পরিপূর্ণ থাকতো জাফলংয়ের জিরোপয়েন্ট, চা বাগান,খাশিয়া পল্লী, মায়বী ঝর্ণায়।
স্থানীয়রা জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে জাফলংয়ে এখন পর্যটক শূন্য। অন্যান্য বছর ঈদের সময় পর্যটকে মুখর থাকতো জাফলংয়ের জিরো পয়েন্টে। কিন্তু এইবার দেখা গেছে এক ব্যতিক্রমী চিত্র।
ফটোগ্রাফার সোহেল আহমেদ বলেন, ঈদের সময় পর্যটকদের নিয়ে জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট, চা বাগান ও মায়াবী ঝর্ণায় ছবি তুলতাম এবং ঘুরে দেখাতাম। ভালো রোজগার হতো। কিন্তু এবার ঈদে বেকার হয়ে বসে আছি। কোনো পর্যটক আসেনি।

জাফলং ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ মো. রতন শেখ বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় পর্যটক আসছেন না। প্রতি ঈদে কয়েক লক্ষাধিক পর্যটকদের সমাগম হতো জাফলংয়ে। কিন্তু এবার মহামারী করোনা ভাইরাসের জন্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় পর্যটক শূন্য। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটক শূন্য থাকবে জাফলং।