বাংলাদেশ এবং বিশ্ব মিডিয়া কর্মী বা সাংবাদিকরা কি সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজদের কাছে অসহায় ?

29

সাংবাদিক
কামরুজ্জামান (হেলাল)
যুক্তরাষ্ট্র:

সরকার, প্রশাসন,আইন, মিডিয়া বা সহকর্মী বন্ধুদের সহযোগিতা তারই প্রমান, এটি গল্প নয় আমি আমার নিজের কথা বলছি বর্তমানে আমি আমেরিকাতে বসবাস করছি জীবন ও জীবিকার জন্য সেই সাথে কাজ করছি বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল আর টিভি যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি হিসাবে, সাথে আই টিভি, দৈনিক আমাদের সময়, নিউজ ২৪, দৈনিক সবুজ সিলেট পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি হিসাবে বা একজন সামান্য মিডিয়া কর্মী হয়ে বাংলাদেশকে তুলে ধরছি বিশ্বের দরবারে এছাড়া করোনার কারনে যেখানে সারা বিশ্ব থেমে গেছে প্রবাসীদের জীবনের নানা ধরনের সংবাদ নিয়ে নিজের জীবনকে বাজি রেখে বিশ্বের বিভিন্ন খবরাখবর তুলে ধরছি বাংলাদেশের টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়াতে এর থেকে বড় পাওয়া কি হতে পারে। যাই হোক চলে আসি মুল কথায় গত মাসে জুনের ২৭ তারিখে যখন আমি জানতে পারি বাংলাদেশে চুয়াডাংগার জেলা জীবননগর উপজেলার আমার মিনাজপুর গ্রামের বাড়িতে ৬-৭ জনের মুখোশধারী ডাকাতদল ঘরে ঢুকে আমার পরিবারের সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা গহনা এবং মোবাইল লুট করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায় খবরটি যখন আমি জানতে পারি অবশ্যই অবাক হয়েছি কারণ এখনো পর্যন্ত আমাদের বাড়িতে এই ধরনের ঘটনা বা পরিস্তিতির স্বীকার হয়নি আমরা বা চিন্তাও করিনা, কারণ আমি এবং আমার পরিবার কোন রাজনৈতিক দল বা কোন সংগঠনের সাথে সংক্রিয় ভাবে জড়িত নয়, এবং করো সাথে মনামালিন্য নাই নাই কোন শত্রুতা, তবে আমি জানি আমার বাবা যখন বেঁচে ছিলেন তিনি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুকে পছন্দ করতেন।


এই ঘটনার পরের দিন স্থানীয় এবং জাতীয় পত্র পত্রিকা সহ বিভিন্ন টেলিভিশনে সংবাদটি বিশেষ গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়।

আমার প্রশ্ন তবে কেন হলো ? কে বা কারা করলেন এই ধরনের ঘৃনীত কাজ ? যারা এই ধরনের কাজটি করেছেন আপনাদের বলতে চাই আপনারা ভুল জায়গাতে বা ভুল তথ্য নিয়ে এই কাজটি করেছেন এটা অবশ্যই ভালো কাজ করেন নাই।

এই ঘটনার ৩দিনের মধ্য আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার সহ একজন সহযোগিকে পুলিশ গ্রেফতার করে, এবং অন্যান্য আসামীরাও গ্রেফতার হবে, এবং এই ঘটনার পেছনের মনুষ গুলোকে দেখতে পাবো আশা করছি, ডাকাতির ঘটনায় সাধারণত আসামী ধরা এতোটা
সহজ নয়, যারা এই বিষয় গুলো নিয়ে কাজ করেন বা ব্যাপারটি জানেন তারা বিস্তারিত ব্যাখ্য দিতে পারবে।

আমাকে যারা নিজের মানুষ মনে করে আমাকে সহযোগিতা করেছেন একজন মিডিয়া কর্মী হিসাবে আপনাদের সহযোগিতা এবং ভালোবাসা কখনো ভুলবো না সেই মানুষ গুলো এবং তাদের নাম না বললেই নয় বাংলাদেশ সরকার সহ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান এবং মাহাফুজ হাসান দিপু ভাই, ডিসি, এস পি, এ এসপি চুয়াডাংগা, জীবননগর থানার ওসি মো: সাইফুল ইসলাম, রাজবাড়ী থানার ওসি আমার বন্ধু জিল্লুর রহমান বিভিন্ন গোয়েনদা শাখা এছাড়াও আমার নিকট স্বজন সহ অনেকে।

এছাড়া আর টিভি,আই টিভি, আমাদের সময়,দৈনিক সবুজ সিলেট, এছাড়া আমার সহ যোদ্ধা জীবননগরের সাংবাদিক জামাল হোসেন, আতিয়ার রহমান, জাহিদ বাবু, আর টিভি এবং আই টিভি চুয়াডাংগা প্রতিনিধি, কামাল মামা,এম আর বাবু সহ স্থানীয় এবং জাতীয় এবং অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা।
তাইতো শুরুর কথার উত্তরে বলতে হয় সৎ যোগ্য মিডিয়া কর্মী বা সাংবাদিকরা কখনোই অসহায় নয় সরকার, প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বহিনী সহ দেশের সাধারণ মানুষ আছে মিডিয়া কর্মীদের সাথে।