জেলা ও মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল সরকার পরিকল্পিতভাবে খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে

6

জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আওয়ামী সরকার তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আবারো চরম অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধিন দেশনেত্রীর জামিন আবারো খারিজ করে দিয়ে সরকার তাঁেক মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আইন ও মানবাধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সরকার দেশনেত্রীর জামিন নিয়ে একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে। বেগম খালেদা জিয়ার জামিন ও মুক্তি নিয়ে সরকারের টালাবাহানা প্রমাণ করে, কোন অপরাধ নয়, ফ্যাসিবাদী সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বিচারের নামে জুলুমের শিকার হয়েছেন। এমন নিষ্ঠুর ও অমানবিক রাজনীতির জন্য আওয়ামী লীকে চরম মূল্য দিতে হবে। আর নতুন কোন ষড়যন্ত্র না করে, অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিন ও দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেয়া ফরমায়েসী সাজা বাতিল ও মিথ্যা মামলা সমুহ প্রত্যাহার করুন। আদর্শিক রাজনীতিকে আদর্শ দিয়ে মোকাবেলা করুন, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে বিরোধি আদর্শিক রাজনীতি রুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র বন্ধ করুন।
গতকাল শনিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় বিক্ষোভ কর্মসুচীর অংশ হিসেবে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন।
মিছিলটি নগরীর সোবহানীঘাট এলাকা থেকে শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে বন্দরবাজার পয়েন্টে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। মিছিলে জেলা ও মহানগর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোাগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির আহŸায়ক কামরুল হুদা জায়গীরদার ও মহানগর সভাপতি নাসিম হোসাইন।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন জেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য আলী আহমদ, আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, আব্দুল মান্নান, মহানগর সহসভাপতি কাউন্সিলার ফরহাদ চৌধুরী শামীম, কাউন্সিলার রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা আহŸায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর যুগ্ম সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা আহŸায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, মহানগর যুবদলের আহŸায়ক নজিবুর রহমান নজিব, জেলা যুবদলের আহŸায়ক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, জেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য মাজহারুল ইসলাম ডালিম, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মোর্শেদ আহমদ মুকুল, জেলা আহŸায়ক কমিটির সদস্য আবুল কাশেম ও শামীম আহমদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সুরমান আলী, মহানগর শ্রমিক দলের সভাপতি ইউনুস মিয়া, বিএনপি নেতা হাবিব আহমদ চৌধুরী শিলু, ডা. আশরাফ আলী, আফজাল উদ্দিন, আল মামুন খান, লল্লিক আহমদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব, আব্দুল মালেক, আব্দুল লতিফ খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহŸায়ক আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, বিএনপি নেতা হেলাল আহমদ, এনামুল হক মাক্কু, সিরাজুল ইসলাম, শাহ মাহমুদ আলী, উজ্জল রঞ্জন চন্দ, কয়েস আহমদ সাগর, আজির উদ্দিন আহমদ, গোলজার, আমিনুর রহমান, শাহ আব্দুল মুকিত, শফিকুর রহমান টুটুল, সাব্বির আহমদ, এম মখলিছ খান, দেলোয়ার হোসেন রানা, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, আক্তার হোসেন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান দীপন, রফিকুল বারী নোমান, মারুফ আহমদ টিপু, যুবদল নেতা আখতার আহমদ, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, মিজানুর রহমান নেছার, কয়েস আহমদ, ফখরুল ইসলাম রুমেল, আলী আহমদ আলম, ওসমান গণি, সাইফুল ইসলাম, নাসির উদ্দিন রহীম, আব্দুল মালেক, শ্রমিক দল নেতা আব্দুর রহমান, লিটন মিয়া ও আব্দুল আহাদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি ফজলে রাব্বী আহসান, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধরণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন নাদিম, ছাত্রদল নেতা আব্দুস সালাম টিপু, এনামুল কবির সুহেল, সুহেল ইবনে রাজা, কামরান আহমদ, হুসাইন আহমদ, আলী আকবর রাজন, দুলাল রেজা, শেখ নজরুল ইসলাম ও ইবনে জাহান তানভীর। বিজ্ঞপ্তি

  •