তাহিরপুরে খুনের ঘটনায় মামলা : আটক ১

7

তাহিরপুর প্রতিনিধি
তাহিরপুরে কুপিয়ে যুবককে খুনের ঘটনার মূল ঘাতক চাচাতো ভাই আব্দুল কাদিরকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনার ১২ ঘন্টার মধ্যে তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে গত মঙ্গলবার রাত প্রায় ১ টায় তাহিরপুর সীমান্তবর্তী বারেকটিলা থেকে তাকে আটক করে। এ ঘটনায় নাসির উদ্দিনের ছেলে গোলামনূর বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামী করে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে।
ঘাতক কাদির উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগটিয়া (টেকেরগাও) গ্রামের মৃত নবীকুলের ছেলে।
প্রসঙ্গত, তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগটিয়া (টেকেরগাও)গ্রামের নাসির উদ্দিন ও তার ভাতিজা গোলাম কাদিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা মোকাদ্দমাও চলছে। গত মঙ্গলবার সকালে নাছির উদ্দিন ও তার ছেলে শহীদ নুর বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে হঠাৎ ধারালো অস্ত্র নিয়ে গোলাম কাদিরের নেতৃত্বে তার সঙ্গীয়রা চাচা নাসির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শহীদ নুরের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বাবা ও ছেলে ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় পরে থাকে। এক পর্যায়ে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শহিদ নুরকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহিদ নুরের পিতা নাছির উদ্দিন দ্রæত সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত খুন হওয়া শহীদ নূরের পিতা নাসির উদ্দিন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
ঘাগটিয়া গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান বলেন, টেকেরগাওয়ের নাসির উদ্দিন ও গোলাম কাদিরের মধ্যে যাদুকাটা নদীতীরে পাথর কোয়ারীর জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। মূলত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকান্ড ঘটেছে। গত সোমবার তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার যাদুকাটা নদীর তীরে গিয়ে পাথর কোয়ারীগুলোর কাজ বন্ধ করে দিয়ে এসেছিলেন।
তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় নাসির উদ্দিনের ছেলে গোলামনূর বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামী ও অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জনকে নামোল্লেখ না করে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে।

  •