সুনামগঞ্জের পর্যটনকেন্দ্রে যেতে মানা জেলা প্রশাসনের

12

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
হাওর-বাওর আর বাউল গানের এলাকা হিসেবেই পরিচিত সুনামগঞ্জ। জেলার টাঙ্গুয়ার হাওর কিংবা স্বচ্ছ জলের যাদুকাটা নদী, কিংবা সীমান্তের বারেকটিলা, শিমুল বাগান অথবা পাহাড় ঘেঁষা শহীদ সিরাজ লেক দেখতে প্রতিদিন হাজারো পর্যটন ঘুরতে যান সুনামগঞ্জে। এছাড়া পর্যটকরা দেখতে যান বাউল আবদুল করিমের বাড়ি কিংবা হাসন রাজার স্মৃতি বিজড়িত জমিদার বাড়ী।
এক কথায় পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয় পর্যটন এলাকাগুলো। তাছাড়া প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রেও থাকে মানুষের ভিড়। করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ইতোমধ্যে তাহিরপুরের শাহ আরেফিন (রহ.) ওরস ও হিন্দুধম্বালম্বীদের পণতীর্থ স্নান উপলক্ষে বারুণী মেলা বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। এবার পর্যটকদের সচেতন করছে প্রশাসন।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জি বলেন, পর্যটন স্পটগুলোতে ২৫ জনের বেশি একত্রে জমায়েত না হবার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তবে কোনো ধরনের নোটিশ জারি না করলেও করোনা ভাইরাস সুরক্ষায় সুনামগঞ্জের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের আগমনে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। তিনি বলেন, বড় ধরনের লোক সমাগমের জমায়েতের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী আমরা সবাইকে ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করছি। পাশাপাশি সবাই যাতে নিজ থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা মেনে চলেন সেজন্য সবাইকে আহ্বান জানান তিনি।

  •