গোলাপগঞ্জে চুরি বৃদ্ধি উদ্বেগ-উৎকন্ঠার

6

সৈয়দ জেলওয়ার হোসেন স্বপন, গোলাপগঞ্জ
গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকায় চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দুই সপ্তাহে গোলাপগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন স্থান ও উপজেলা পরিষদ এলাকার আশেপাশে থেকে ইজিবাইক (মিশুক) রিক্সার ব্যাটারি, ট্রাক্টারের ব্যাট্যারি ও বাসাবাড়ীর গ্রীলের থালা কেটে মোটরসাইকেলের ব্যাটারিসহস্রাম্য এলাকার মোদির দোকানের টিনের চালা কেটে লাখ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোরচক্র। এতে করে এলাকার মানুষজন রয়েছেন উদ্বেগ উৎকন্ঠার মধ্যে। অবশ্য চোরচক্র প্রতিনিয়ত চুরি না করে অভিনব কায়দায় কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে পর্যাক্রমে এলাকায় চুরি করে চোরচক্র। এছাড়াও গভীর রাতে উপজেলা পরিষদ আবাসিক এলাকার বিপরীতে রণকেলী বালিকা স্কুল ও কলেজ রোডের সামনে চৌমুহনীস্থ, খাসিখালের পাশসহ আশপাশ এলাকায়, রাঙ্গাডহর বাজার, জামেয়া উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে, বিটিসিএল অফিসের সম্মুখ, রণকেলী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের সামনাসহ বিভিন্ন এলাকায় অপরিচিত লোকজন মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের মাধ্যমে অবাধে চলাচল থাকলেও পুলিশের ভূমিকা রয়েছে নীরব। ফলে ওই এলাকায় চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। এলাকায় চুরি বৃদ্ধির ফলে স্থানীয়রা সর্বস্ব হারিয়ে নিঃশ্ব হচ্ছেন।
উপজেলার গোলাপগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে বিগত সময়ে চোরচক্র হানা দিয়ে পানির মোটর, টিউবওয়েলের পাম্প, বাসা বাড়ির দেয়ালের রড ও তার এবং টেলিফোনের তার, বিভিন্ন মসজিদ ও বাসাবাড়ির পানির টেপ, মোদির দোকানে চুরির হিড়িক ছিল। ইদানিং চোরচক্র চুরির কৌশল পরিবর্তন করে পৌরসভার বিভিন্ন স্থান ও উপজেলা পরিষদের আশেপাশে এবং রাঙ্গাডহর বাজার এলাকা থেকে ইজিবাইক (মিশুক) রিক্সার ব্যাটারি, বাজার মূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা, ট্রাক্টারের ব্যাটারিসহ বিভিন্ন যানবাহনের ব্যাটারি এবং গ্রাম্য এলাকায় মোদির দোকানের চালা কেটে ও কোথায়ও দোকানের সামনের থালা কেটে এবং বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের থালা কেটে ফ্যানসহ বিভিন্ন মুল্যবান মালামালসহ লাখ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র। এলাকায় পুলিশের টহল থাকলেও সেটি নিয়ে রয়েছে প্রশ্নবিদ্য। অভিযোগ উঠেছে অনেক স্থানে গভীর রাতে জানমালের নিরাপত্তার পরিবর্তে পুলিশ চেকপোস্টের মাধ্যমে চালকদের কাছ থেকে উৎকোচ আদায় করছেন। এভাবে এলাকায় চুরি অব্যাহত থাকলে জানমালের নিরাপত্তাসহ এলাকায় চুরি বৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির ঘটনা ঘটার অভিযোাগ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। পৌর এলাকায় চুরি বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।

  •