সাময়িক ভাবে বন্ধ উবারের ‘শেয়ারিং রাইড’!

15

সবুজ সিলেট ডেস্ক:
করোনা ভাইরাসের কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে উবারের শেয়ারিং রাইড সেবা। অর্থাৎ ব্যবহারকারীরা অ্যাপের মাধ্যমে উবার পুল ফিচারটি আপাতত ব্যবহার করতে পারবেন না।

নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীদের মধ্যে নির্দিষ্ট মাপের ফাঁক রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি উবার।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উবার পুল সাময়িকভাবে বন্ধের বিষয়ে উবার জানিয়েছে, সাম্প্রতিকালের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কোভিড ১৯ থেকে ব্যবহারকারী ও ড্রাইভারকে বাঁচাতে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, অ্যাপের মাধ্যমে রাইড শেয়ার (উবার পুল) করার ফিচার সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

উবার বাংলাদেশে পথচলার তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে গত বছরের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠানটি ‘উবার পুল’ নামে নতুন এই সেবা চালু করে। এর মাধ্যমে একটি গাড়িতে একই পথের একাধিক যাত্রী যাতায়াত করার সুবিধা পেতেন। এতে যাত্রী ভাড়া ৪০% পর্যন্ত কমে যেত।

অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং কোম্পানি উবার বাংলাদেশে পথচলার তিন বছর পূর্ণ করল। এই উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি ‘উবার পুল’ নামে নতুন একটি সেবা চালু করেছে। এর মাধ্যমে একটি গাড়িতে একই পথের একাধিক যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। এতে যাত্রী ভাড়া ৪০% পর্যন্ত কমে যাবে।

উবারের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। উবার বাংলাদেশ এবং পূর্ব ভারতীয় অঞ্চলের প্রধান রাতুল ঘোষ নতুন সেবা চালুর ঘোষণা দেন।

ঢাকার উবারে এখন মোটরসাইকেল, উবার এক্স, প্রিমিয়াম, এক্সএল ও হায়ার ব্যবস্থা চালু আছে। চট্টগ্রামে সিএনজি, মোটরসাইকেল, গাড়ি ও অটোরিকশা চলে উবারে। সিলেটে চলে শুধু গাড়ি।

উল্লেখ্য, চীনের মধ্যাঞ্চলের হুবেই প্রদেশের রাজধানী শহরে উহানের একটি সামুদ্রিক খাবার ও বন্যপ্রাণীর বাজার থেকে উৎপত্তি হওয়া এ ভাইরাস এখন বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এরই মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসকে মহামারি রোগ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল চীন হলেও এখন বিশ্বের শতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়ে সৃষ্ট রোগ কভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৬৫৪ জন প্রাণ হারিয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫৩। অপরদিকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৮ হাজার ৮৮৪ জন।

  •